Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাঠগড়ায় এক সিনিয়র ও ল্যাব সুপারভাইজার, আইসারের গবেষক-ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনায় দু’জনের নামে লিখিত অভিযোগ

শনিবার তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে হরিণঘাটা থানায় দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

কাঠগড়ায় এক সিনিয়র ও ল্যাব সুপারভাইজার, আইসারের গবেষক-ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনায় দু’জনের নামে লিখিত অভিযোগ
  • ১০ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কল্যাণী: আইসার (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ)-এর ছাত্র তথা গবেষক অনমিত্র রায়ের আত্মহত্যার ঘটনায় এবার লিখিত অভিযোগ দায়ের হল। শনিবার তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে হরিণঘাটা থানায় দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানেই ল্যাবরেটরির ভিতরে ওষুধের ওভারডোজ নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অনমিত্র। সেখানে বসেই তিনি নিজের বিভাগেই র‌্যাগিং, মানসিক অত্যাচারের শিকার হওয়ার কথা সবিস্তারে লিখে পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই পোস্ট দেখে তাঁর সতীর্থরা তাঁকে খুঁজতে বেরন। শেষে ল্যাবে গিয়ে তাঁর হদিশ পান। এরপর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি তাঁকে কল্যাণীর এইমসে ভর্তি করানো হয়। শুক্রবার সকালে সেখানে মৃত্যু হ তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বায়োলজি বিভাগের ল্যাবরেটরির এক সিনিয়র পিএইচডি ছাত্রের র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন অনমিত্র। বিষয়টি ল্যাবের সুপারভাইজারকে জানালেও মেলেনি সুরাহা। এমনকী, ওই সিনিয়র গবেষক- ছাত্রের বিরুদ্ধে আইসার, কলকাতার অ্যান্টি র‍্যাগিং সেলের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তাতেও কোনও কাজ হয়নি। তারপরই তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। 

Advertisement

এদিনই পরিবারের পক্ষ থেকে হরিণঘাটা থানায় সিনিয়র গবেষক সৌরভ বিশ্বাস এবং ল্যাব সুপারভাইজার অনিন্দিতা ভদ্রের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অনমিত্রের এক দাদা হৃষিকেশ রায় বলেন, ‘ভাইকে আমরা ফিরে পাব না। তবে ভাই যাদের অত্যাচারের কথা জানিয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, তাঁদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের জন্য আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’ অভিযোগের ভিত্তিতে হরিণঘাটা থানার পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, শনিবার এইমসে ময়নাতদন্তের পর গবেষকের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে দেহ নিয়ে আসা হয় আইসার ক্যাম্পাসে । সহপাঠী, অধ্যাপক ও আইসার কর্তৃপক্ষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের বাড়িতে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ