Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চলাচলের অযোগ্য ১৪ নং জাতীয় সড়কের একাংশ, উদাসীন কর্তৃপক্ষ

চলাচলের অযোগ্য ১৪ নং জাতীয় সড়কের একাংশ, উদাসীন কর্তৃপক্ষ
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ক্রমশ চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠছে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ। সিউড়ি বিধানসভার অন্তর্গত তিলপাড়া ব্যারেজ থেকে শুরু করে মিনি স্টিল পর্যন্ত জাতীয় সড়ক বেহাল। একাধিক জায়গায় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে উদাসীনতা ও বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের অধীনস্থ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ উদাসীন। প্রতিদিন জাতীয় সড়ক বেহাল হয়ে উঠছে। কোথাও খানাখন্দ নজরে পড়ছে, আবার কোথাও রাস্তার একাংশ বসে গিয়েছে। জাতীয় সড়কের ওইসব অংশে দুর্ঘটনা ঘটছে। মৃত্যুও হচ্ছে। ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিধায়ক পূর্তদপ্তরের শরণাপন্ন হয়েছেন। বিধায়ক বলেন, দীর্ঘ প্রায় ৫ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক একেবারে চলাচলের অযোগ্য। একাধিক জায়গায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তা দিয়ে বহু গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। স্কুল পড়ুয়ারাও ওই জাতীয় সড়ক ধরে চলাচল করে। মাঝেমধ্যেই জাতীয় সড়কের ওই অংশে দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রাণহানিও হচ্ছে। তা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছি। 

Advertisement

সিউড়ি শহরের মূল অংশের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনভর দূরপাল্লার গাড়ি চলাচল করে। সেইসঙ্গে সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাও ওই সড়ক ধরে চলাচল করেন। তবে রাস্তা মশ বেহাল হতে থাকায় তাঁরাও দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভুগছেন। অভিযোগ, অল্প বৃষ্টিতেই জাতীয় সড়কে থাকা খানাখন্দগুলি জলে ভরে থাকছে। ভারী বর্ষায় জাতীয় সড়কের হাল কী হবে তা ভেবেই শিউরে উঠছেন অনেকে। শাসকদলের বিধায়ক কেন্দ্রের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুললেও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য পাল্টা সাফাই তুলে ধরতে সচেষ্ট। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের দাবি, মাত্রাতিরিক্ত ভাী যানবাহন চলাচলের জন্য জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে, বর্ষার মরশুম শুরুর আগেই রাস্তা সংস্কারে জোর দেওয়া হয়েছে। গুরুত্ব অনুসারে পেভার ব্লক বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেইসঙ্গে নিয়মিত জাতীয় সড়কের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
বেহাল জাতীয় সড়ক এখনও সাধারণ মানুষের কাছে আতঙ্ক। সিউড়ির বাসিন্দা সন্দীপন রায় বলেন, জাতীয় সড়কের অবস্থা যথেষ্ট শোচনীয়। বৃষ্টি শুরু হতেই তা আরও খারাপ হয়ে উঠতে শুরু করেছে। একপ্রকার ঝুঁকি নিয়েই আমাদের চলাচল করতে হয়। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এবিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন। দ্রুত সংস্কার না হলে জাতীয় সড়কের অবস্থা ক্রমশ আরও খারাপ হবে। দুর্ঘটনাও বাড়বে। বিজেপির জেলা সহ সভাপতি দীপক দাস জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সুরে সুর মিলিয়েছেন। তিনি বলেন, বালিবোঝাই গাড়ি চলাচলের জন্যই জাতীয় সড়ক নষ্ট হচ্ছে। শাসক নেতৃত্বদের মদতেই ওইসব বালির গাড়ি চলাচল করে। তবে, দ্রুত রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করব৷ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ