সংবাদদাতা, বহরমপুর: বৃন্দাবনের চন্দ্রোদয় মন্দিরের আদলে বেলডাঙা নেতাজি পার্ক পুজো কমিটির মণ্ডপ গড়ে তোলা হচ্ছে। ১২৭ফুট উঁচু মণ্ডপে শিল্পীদের নিখুঁত কারুকার্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে। অজন্তার ধাঁচে মাটির সাজের ১৮ফুটের প্রতিমাতেও অসাধারণ শিল্পনৈপুণ্য দেখা যাবে। পুজো ঘিরে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। পুজো কমিটির সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলিকে তিনদিন খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকছে। একাদশীতে হবে বিজয়া সম্মিলনী।
পুজো কমিটির সম্পাদক সুনীত দে বলেন, এবারও আমরা পাড়ার প্রবীণদের দিয়েই পুজোর উদ্বোধন করছি। এবারের বিশেষ আকর্ষণ ১২মিনিটের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। এই শোয়ের মাধ্যমে জাতীয়তাবোধ ও একাধিক পৌরাণিক কাহিনি ফুটিয়ে তোলা হবে।
বেশ কয়েকবছর ধরে নিজস্ব পরিকল্পনায় নানা থিমের পুজো করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে নেতাজি পার্ক দুর্গাপুজো কমিটি। এবার পুজোর ৫৪তম বর্ষ। গতবছর বাঁশের তৈরি নানা সরঞ্জাম দিয়ে থিমের মণ্ডপসজ্জা হয়েছিল। পুজো কমিটির সভাপতি গৌতম সাহা বলেন, এবার জেলায় চন্দ্রোদয় মন্দিরের আদলে তিনটি মণ্ডপ হচ্ছে। আশা করি, বাকিদের পিছনে ফেলে মণ্ডপসজ্জায় আমরাই শীর্ষে থাকব।
এই পুজোর সঙ্গে পাড়ার ১১৯টি পরিবার জড়িত রয়েছে। সঞ্জয় সাহা, মনমোহন সাহা, মৃত্যুঞ্জয় সাহা, প্রদীপ সাহা, কৌশিক সাহা বলেন, পুজো ঘিরে সমস্ত পরিবার মিলেমিশে এক হয়ে যায়। এবারও সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে সবাই একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করবেন। সপ্তমীতে পোলাও, আলুর দম, সন্দেশ, অষ্টমীতে পুরি, ছোলার ডাল, মিষ্টি, নবমীর মেনুতে ফ্রাইড রাইস, চিলি চিকেন, পনির, চাটনি ও মিষ্টি থাকছে।
পুজোর বাজেট প্রায় ১২লক্ষ টাকা। আলোর রোশনাইয়ে নেতাজি পার্ক চত্বর সাজিয়ে তোলা হবে। গোবিন্দ ভদ্র, সুমন রায় জানালেন, এবার তাঁরা সেরা পুজোর দৌড়ে এগিয়ে থাকছেন। পুজো কমিটির ঝুলিতে একাধিক পুরস্কার আসবে।