Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবর্জনার জেরে রঘুনাথগঞ্জের খড়খড়ি নদীর একাংশ মজে যাচ্ছে, চুপ প্রশাসন

রঘুনাথগঞ্জের খড়খড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। অথচ হুঁশ নেই প্রশাসনের।

আবর্জনার জেরে রঘুনাথগঞ্জের খড়খড়ি নদীর একাংশ মজে যাচ্ছে, চুপ প্রশাসন
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: রঘুনাথগঞ্জের খড়খড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। অথচ হুঁশ নেই প্রশাসনের। শহরের হোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট থেকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আবর্জনা সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। একশ্রেণির অসাধু লোক কোনও নিয়মের তোয়াক্কা না করেই একাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নদীটির দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় একাংশ আগাছায় ভরে গিয়েছে। এরপর নদীতে নিয়মিত আবর্জনা ফেলায় একাংশ কার্যত মজে যেতে বসেছে। এক শ্রেণির অসাধু মানুষের কারণেই কার্যত সংকটে খড়খড়ি নদী। ফলে খড়খড়ির সংস্কারের দাবি তুলছেন পরিবেশপ্রেমীরা। জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক সুধীরকুমার রেড্ডি বলেন, কে বা কারা খড়খড়ি নদীতে আবর্জনা ফেলছেন,  বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement

রঘুনাথগঞ্জ শহরের প্রবেশপথে খড়খড়ি নদী। ভাগীরথীর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে রঘুনাথগঞ্জের মধ্যে দিয়ে এই নদী প্রবাহিত হয়। নদীর উপরেই নির্মিত হয়েছে রাম সেন সেতু বা খড়খড়ি ব্রিজ। ব্রিজের আশপাশেই গড়ে উঠেছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, নার্সিং হোম। এছাড়াও রয়েছে বহু খাবার ও জিনিসপত্রের দোকান। সেসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটের অব্যবহৃত মোড়ক, উচ্ছিষ্ট ও আবর্জনা ওই ব্রিজের পাশ দিয়ে নদীতে ফেলা হচ্ছে। পাশাপাশি একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি নদীর পাড় দখল করে সেখানে নানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। ফলে নদীটি ক্রমেই মজে গিয়ে নালার রূপ নিচ্ছে। এই নদীর উপরই ব্রিটিশ আমলে একটি লোহার ব্রিজ তৈরি হয়। এই ব্রিজ দিয়েই প্রথমে শহরের মানুষ যাতায়াত করতেন। বর্তমানে সেতুটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দা রাম কর্মকার বলেন, নদীতে এভাবে শহরের আবর্জনা ফেলা হলে সেটি মজে যাবে। এতে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হবে। শহরের নিকাশি ব্যবস্থাও ভেঙে পড়বে। আরএক প্রৌঢ় সফিউল ইসলাম বলেন, ধীরে ধীরে নদী বেদখল হয়ে যাচ্ছে। একশ্রেণির মানুষ নদী দখল করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ