Bartaman Logo
৩ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

তাড়োবার জঙ্গলে রাত মাচানে

আমার চোখে এমন টিপ করে টর্চ ফেলে কে রে! আর ঘরের আরামকেদারাটা শক্ত কাঠের পাটাতন হয়ে কেন যে পিঠে ফোটে! জ্বালাতন! আধো ঘুম থেকে চেতনে ফিরতে ন্যানো সেকেন্ড!

তাড়োবার জঙ্গলে রাত মাচানে
  • ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কীভাবে যাবেন: ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অথবা চন্দ্রপুর রেল স্টেশন তাড়োবার নিকটবর্তী। জাতীয় অভয়ারণ্যে সাফারি করতে গেলে আগে থেকে বুক করে নিতে হবে।

Advertisement

আমার চোখে এমন টিপ করে টর্চ ফেলে কে রে! আর ঘরের আরামকেদারাটা শক্ত কাঠের পাটাতন হয়ে কেন যে পিঠে ফোটে!  জ্বালাতন! আধো ঘুম থেকে চেতনে ফিরতে ন্যানো সেকেন্ড! দেখ দেখ! মেঘ কেটে গিয়েছে। পূ্র্ণ চাঁদের মায়ায় বানভাসি চরাচর। আমি তো তাড়োবার জঙ্গলে। মাচানে, সারারাত।
বুদ্ধ পূর্ণিমার রাতে তাড়োবা জাতীয় অভয়ারণ্যে বাঘশুমারি হয়। সারারাত মাচানে বসার অনুমতি থাকে সেদিন। ভাগ্য প্রসন্ন। তাই এবছর শুমারিতে আমরা। সারারাত মাচানে বসতে হলে পোর্টাল থেকে টিকিট কাটতে হয়, অথবা ফিল্ড ডিরেক্টরের অনুমতি নিতে হয়। আমি ডিরেক্টর স্যারকে মেল করি। উত্তর এল। কবে নাগাদ কার সঙ্গে যোগাযোগে থাকতে হবে সেই তথ্য সমেত। সম্ভাব্য দিন বুদ্ধপূর্ণিমা। কিন্তু এত আগে থেকে দিনক্ষণ কিছুই বলা যাচ্ছে না, জানালেন উনি।
মে মাসে তাড়োবা আসতে গেলে ষাট দিন আগে ট্রেনের টিকিট তো করতেই হবে। সুতরাং মাচানের সঙ্গে ব্লাইন্ডডেটের টিকিট কাটা হয়ে গেল। আমায় স্বস্তি দিয়ে শুমারির দিনটা সেই বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনেই পড়ল। অনুমতির ফোনটাও এসে গেল ঠিক সময়। তারপর? চিঠি একটা আসবে তো! ফরমাল চিঠি। সেটা আর আসেই না। অধৈর্য হয়ে আবার ফোনাফোনি শুরু। খবর খারাপ। আগের স্যার এখন অন্য পোস্টিং-এ। পরের স্যার অনলাইন বুকিংই নেবেন। ঠিক আছে, তাই হোক তবে। দিনেরাতে অষ্টাশিবার ওয়েবসাইট চেক করি। তবু শেষ স্টেপে গিয়ে বুকিং ফেল করে। চেষ্টা করি আর একবার। এতদিনের সাইটিং হিস্ট্রির ভিত্তিতে তৈরি পছন্দের ক্রমতালিকা কোনো কাজেই আসে না। বুকিং সাকসেস হয় নিমঢেলা গেটে, আমার লিস্টের শেষতম বিকল্পে।
উড়তে উড়তে ব্যাগপত্তর গোছাই। নিমঢেলা গেটে গিয়ে দেখি তালাও-এর ঠিক পাশের মাচানে ‘অটো অ্যাসাইনড’ হয়ে ঝিলমিলাচ্ছে আমাদের নাম। সারারাত জল খেতে জন্তুজানোয়ার তালাও-এ আসবেই, সুতরাং সাইটিং নিশ্চিত। কৃতজ্ঞতা অনিঃশেষ। পয়লা দর্শন জঙ্গলে সাফারির আগেই আমাদের বিগ ক্যাট সাইটিং হয়ে যায়। এটা আমাদের বায়োডেটা। জঙ্গল আমাদের শূন্য হাতে ফেরায় না, ফেরায়নি কখনো। এবার তো ফিল্ড অফিসার ম্যাডাম মাচানের নিয়ম ব্রিফিং করে রওনা করিয়ে দিলেন। বৃষ্টি হলেই ইভ্যাকুয়েশন আর প্রাকৃতিক প্রয়োজনেও মাচানের নীচে নামা যাবে না এই শর্ত দিয়ে।
জিপসি বাঁধানো রাস্তা থেকে অফরোড ধরল। ধুলো রাস্তা ধরে যাচ্ছি। নীলগাই, সম্বর, বাইসন দেখছি টুকটাক আর নিজেরা দৃষ্টি বিনিময় করছি...। বউনিটা হল না কেন এখনও! জঙ্গলের দেবতাকে মন দিয়ে হটলাইনে ধরার চেষ্টা করছি, দেখি ড্রাইভার, গাইড দু’জনেরই ফোন এসেছে। দু’জনেই ফোনে কথা বলছেন। দু’জনেই সুপার উত্তেজিত। মারাঠিতে কথা, বেশিটাই বুঝছি না, শুধু বুঝছি শের শের, বুঝছি মন্দির মন্দির। আর দেখছি গাড়ির মুখ ঘুরে গেল রামডেগি মন্দিরের দিকে। 
খবর, ছোটা মটকেশ্বর, ওপাড়ার ছোটে মিঁয়া, বেরিয়েছেন বৈকালিক রোদে। দুপুরে বড্ড গরম ছিল। রামডেগি মন্দিরের গুহার প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনারে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। বিকেলের দিকে মন্দিরের সিঁড়ি দিয়ে নেমে পাশের নালায় বসেছিলেন, এখন একটু ব্যায়াম করতে ঢুকেছেন জঙ্গলে। 
জঙ্গল ট্রেল-এ হাঁটছে, আমরা জিপসিতে কাঁচা রাস্তায়, সমান্তরাল অবস্থানে। একটা ভারী শরীর পাতা মাড়িয়ে হাঁটছে শুনতে পাচ্ছি, অনুভব করছি চলন, দেখতে পাচ্ছি না। এমন গেল দু’-পাঁচ মিনিট, ধরে নিন হাফ কিমি রাস্তা। এরপর জঙ্গল কিছুটা কম ঘন, তারপরই একটা ফাঁক। সেখানে তার অপেক্ষায় পাঁচ-ছ’টা জিপসি, নিদেনপক্ষে পঞ্চাশটা মানুষ।
সেখানেই প্রথম দেখলাম তাকে। প্রথমে সন্তর্পণ, পরে সদর্প হল তার চলন। ক্যাটওয়াক, সতর্ক আর স্থির। ‘বেরলেন’, এ শব্দটা খাটে না তার জন্য। হাঁটা দেখে যৌবনের ইমরান খানকে মনে পড়াবে। বুঝলাম কেন ছোটে মিঁয়া ওয়াইল্ড ফোটোগ্রাফারদের প্রথম পছন্দ। বিশ্বাস করুন, তার দর্শনে সত্যিই পয়সা উশুল। জঙ্গলের রাজা! ফোটোজেনিক রাজামশাই।
এতক্ষণে ও ফাঁকাজমি পার করে এদিকের জঙ্গলের মুখে। পিছনের দু’পায়ে ভর করে একটা গাছকে জড়িয়ে নিয়েছে। এখন আমরা শুধু ওর সামনের থাবা দেখতে পাচ্ছি। গাছের গায়ে আঁচড় কাটছে পূর্ণ শক্তিতে। জিপসির পজিশন বদলিয়ে আমরা এবার ওর সামনে। জুম করে ছবি! আহা কী মায়াময় চোখ! তারপর গাছ থেকে নেমে চারপায়ে হেঁটে ট্রেল ধরে, মাচানের তলা দিয়ে, জলার পাশ দিয়ে আবার ঢুকে গেল ঘনতর জঙ্গলে। যাওয়ার আগে অবহেলায় গাছের একটা নুয়েপড়া ডাল ভাঙার চেষ্টা করল, আর পিছনের পা দিয়ে মাটি আঁচড়াতে থাকল, আঁচড়াতেই থাকল বেশ কয়েক মিনিট। তারপর ‘শো ওভার’— এমন এক বার্তা দিয়ে মিলিয়ে গেল জঙ্গলে। সবুজ হলুদ কালোর ক্যামোফ্লাজে মিশে গেল শরীর।
বাকরুদ্ধ অবস্থা কেটেছে সবে, এখন কথা বলাবলি হচ্ছে নীচু গলায়, ফিসফিস করে। গাইড বললেন ও অঞ্চল মার্ক করছে। এই জঙ্গলের দখল রাখতে পরের পুরুষ বাঘকে এর উপর মার্কা দিতে হবে, নইলে মরতে হবে। আরও বললেন, এ কারও গন্ধ পেয়েছে, ধাওয়া করছে গন্ধটাকে। যুদ্ধ একটা হবেই। 
আকাশে অনেক মেঘ। হঠাৎই। হাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। ঝড়ের আগে যেমন থম হয়ে যায় আশপাশ। সাড়ে পাঁচটা মতো বাজে। সাফারির জিপসিগুলো বেরিয়ে যাচ্ছে এক এক করে। ওদের বাইরের চৌকিতে রিপোর্টিং টাইম ছ’টায়। আমরা জঙ্গলের আরও একটু ভিতরে যাব। গাইডে গাইডে কথা হয়ে গিয়েছে। আরেক পুরুষ বাঘ, ব্রহ্মা, এতক্ষণ পুরো শরীর ডুবিয়ে বসে ছিল আরও খানিক দূরের জলায়। সূর্য ডোবার পর এসে বসেছে পাড়ে। মুভমেন্টের সময় চলছে প্রায় ঘণ্টা দুই হল। এখনও যখন ও নড়েনি, তখন হয়তো ও আমাদের আরও খানিকটা সময় দেবে। তবে আলো মরে আসছে। দে দৌড়...।
ওই তো, ও!  সামনের ঘাসজমিতে বসে রয়েছে। সামনের পা ছড়িয়ে, মাথা সামান্য হেলানো। আনমনা, উদাসীন। দিনশেষের আলোয় আবছায়ায় দেখেছিলাম বলে কি না জানি না, মনে হয়েছিল বোল্ড প্যাস্টেলে নয়, ও যেন স্বচ্ছ জলরঙে আঁকা নিটোল এক জলছবি।
আলো মরে আসছে। মাত্রই কয়েকশো মিটার এগতে পেরেছি কি পারিনি, আবার শম্বর কল। বাঘ বেরিয়েছে আবার! মুভমেন্টের আওয়াজ পাচ্ছি। আর শুনতে পাচ্ছি চাপা গরগর একটা আস্ফালন। নিজেদের মধ্যেও আমরা আর কথা বলছি না। স্নায়ু টানটান। নিজের হৃদস্পন্দন নিজেই শুনতে পাচ্ছি। 
এমন করে দু’-এক মিনিট। আবার গাড়ি ফার্স্ট গিয়ারে, আবার খানিক এগনো। আবার আওয়াজ। এবার হুংকার। গগনভেদী, ভয়াল। আকাশফাটা মারণ আওয়াজ বুঝছি কাকে বলে। মেরুদণ্ড দিয়ে নেমে যাচ্ছে ভয়ের স্রোত। হাত পায়ের পাতা ঠান্ডা, হিমশীতল। অন্যপক্ষও থেমে নেই। ওদিক দিয়েও পালটা আসছে রোষের আস্ফালন, গর্জন, হুংকার। বারবার, লাগাতার। একটা ২০০ কেজির ভারী শরীর পড়ছে গিয়ে অন্যটার ঘাড়ে। সেটাও ফিরিয়ে দিচ্ছে পালটা। গর্জন তো চলছেই। শম্বর কল-ও। আর পাখপাখালির ত্রস্ত ডাকাডাকি। ক্রমে তাদের গর্জন, ঝটাপটির শব্দ দূরবর্তী হচ্ছিল। গাইড রঞ্জিত বলছিলেন, শক্তিমান জীব।সুতরাং চলো মুসাফির, উঠাও রুকস্যাক। চড়ে পড়ো নিজেদের মাচানে...। রাতের আসর বিশ্বকর্মা এবার বিশ্রামে যাবেন। তাই রঙের প্যালেট গোছাচ্ছেন। হলুদ থেকে কমলা, কমলা থেকে লাল, লাল থেকে গোলাপি, গোলাপি থেকে ফুশিয়া হয়ে আকাশের রং এখন কোবাল্ট ব্লু। অনেক দূরের পথ সাঁতরে এসে পূর্ণ চাঁদ উঠছে পুব আকাশে। আমরা তিনজন মাচার তিনটে কোনার দখল নিয়েছি। জলার দিক গাইডের। নীচু গলায় টুকটাক গল্প চলছে। দু’-এক কথার পরই ঘুরেফিরে আসছে যুযুধান বাঘ দুটোর কথা। জখম হল? নাকি মরেই গেল মারামারি করে? বুঝছি বন্যপ্রাণ এদের জীবিকা তো বটেই, বন্যপ্রাণ এদের আবেগও। 
আমাদের চৌকি থেকে মাচান অবধি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল জিপসি চালকের। আর রঞ্জিতের দায়িত্ব ছিল আমাদের সঙ্গে রাতে মাচায় থাকা আর শুমারির লগ শিট ভরা। পাশের শিরিষ গাছে পেঁচার জ্বলজ্বলে গোল্লা গোল্লা চোখ! রাতচরা টিটি পাখির টিটি, ঝিঁঝি পোকার ঝিঁ ঝিঁ, অনেক দূরের গ্রামের বিয়েতে ডিজে-র ঝিনচ্যাক, চিমুর হাইওয়ে দিয়ে শ্বাস ফেলে চলে যাওয়া একটা দুটো গাড়ি। কনসার্ট জমে উঠেছে বেশ। অনুভবে নিচ্ছি শব্দগুলো। 
শম্বর কল? আরে! হ্যাঁ, ওই তো শম্বর কল। তবে তো বাঘ বেরল আবার। ওদের দু’জনের একজন? না অন্য কেউ? বেঁচেবর্তে আছে তো দুটোতেই? এতক্ষণে গাইডের কাছে খবর এসে গিয়েছে ছোটে বেঁচে আছে, রক্তমাখা মুখে বসে আছে অন্য একটা মাচানের তলায়। অন্যটা বেপাত্তা। তার কোনো খবর নেই। শম্বর কল চলছেই, এবার শুনতেও পাচ্ছি ব্যাঘ্রগর্জন। গর্জন! না না, এ তো গোঙাচ্ছে বাঘটা! গাইড বলছেন আহত বাঘ ভয়ংকর, বিপজ্জনক আর ঘোর অনিশ্চিত। গাইড বলছেন বাঘ এক রাতে তিরিশ কিমিও হেঁটে নেয় আর এ তো সাকুল্যে দশ কিমি হয় কি না! এসে পড়লে এই সিঁড়ি চড়া, থাবার এক ঝটকায় এই কাঠের পাটাতন ভাঙা ওর বাঁয়ে হাত কা খেল। তবে এক হাজারে এমন একবারই হয়, এটাই প্রোবাবিলিটি। ওই প্রোবাবিলিটির ভরসায় ঘুমে নির্ঘুমে, ভয়ে সাহসে কেটে গেল সারারাত। জল খেতে আসা হরিণ, নীলগাই, বাইসনদের খুঁজে নিয়ে শুমারির শিটে এনট্রি করে।
কখনো গহিন মেঘ উড়ে এসে অন্ধকার ঘনাল। কখনো জ্যোৎস্নায় মাত হল চরাচর। চাঁদ ঢলল পশ্চিমে। গাছের ছায়া দীর্ঘতর হল। ভোরের তারা উঠল আকাশে। মেঘের ফাঁক দিয়ে এক চিলতে আলো ফুটল পুবে।
সকাল ছ’টায় জিপসিএল আমাদের নিতে। কিছু কিছু গল্প শেষ হয়েও শেষ হয়ে যায় না। নীমঢেলা গেটের মোট ন’টা মাচানে আঠেরো জন ভলান্টিয়ার গিয়েছিলাম গতকাল সন্ধ্যায়। সকালে মোট চারজন রিপোর্ট ব্যাক করলাম। অন্যরা রাতের কোনো একটা সময় ফিরে গিয়েছেন চার দেওয়ালের নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। আমরাও ফিরব ফিরব করছি, গেট ম্যানেজার আটকে দিলেন আমাদের। আজ সকালের সাফারির পর পঁচিশজনের একটা টিম যাবে ব্রহ্মাকে খুঁজতে। রিপোর্ট আসবে গেটে। কাল ব্রহ্মাকে শেষবেলায় যাঁরা দেখেছিলেন তাঁদের মধ্যে আজ শুধু আমরাই জঙ্গলে রয়ে গিয়েছি। তাই ওঁদের অনুরোধ আমরা যেন সার্চ রিপোর্টটা দেখে যাই। ব্রেকফাস্ট সেরে চোখ লেগে এসেছিল। ঘুম ভাঙল রঞ্জিতের ডাকে। ব্রহ্মা মিল গ্যয়া...।
অউর...? ওর চোখ ফিরিয়ে নেওয়াতে বলা ছিল বাকিটা। ততক্ষণে চৌকিতে ব্রহ্মার রক্তাক্ত মরদেহের ছবি এসেছে, ফিল্ড অফিসার ম্যাম এসেছেন, মারাঠিতে রিপোর্ট লেখা হয়েছে। আমাদের জন্য তর্জমাও করা হয়েছে ইংরেজিতে, শুধু সইটুকু করে দিলেই আমাদের ছুটি।
গাড়ি এসে গিয়েছে আমাদের শহরে ফিরিয়ে নিতে। নাগপুর থেকে রাতে ফেরার ট্রেন। বাঘশুমারি থেকে ফিরছি আফসোস সঙ্গে নিয়ে। দুটো পূর্ণবয়স্ক পুরুষ বাঘ কখনো এক জঙ্গলে থাকতে পারে না। আর ক’টা মাস পরই তো তোর পাঁচ বছর পূর্ণ হয়ে যেত রে বেটা। ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট অন্য জঙ্গলে মাইগ্রেট করিয়ে দিত তোকে। পারলি না বাছা আর কয়েকটা মাস নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে...!

দীপান্বিতা ঘোষ

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ