Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শীতে হাতছানি দিচ্ছে মহেশতলায় গঙ্গার ধারের নতুন পিকনিক স্পট

উত্তরের বাতাস আসতেই বনভোজনের কথা মনে আসছে অনেকের। কিন্তু কোথায় যাওয়া যায়, এখন সেটাই ভাবছেন তাঁরা।

শীতে হাতছানি দিচ্ছে মহেশতলায় গঙ্গার ধারের নতুন পিকনিক স্পট
  • ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: উত্তরের বাতাস আসতেই বনভোজনের কথা মনে আসছে অনেকের। কিন্তু কোথায় যাওয়া যায়, এখন সেটাই ভাবছেন তাঁরা। পিকনিক প্রিয় এইসব মানুষের কথা ভেবে মহেশতলা পুরসভার উদ্যোগে গঙ্গার ধারে বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছে পিকনিক স্পট। তার সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো যুক্ত অতিথিনিবাস। সবুজ গালিচায় বসে সামনে গঙ্গার জলতরঙ্গের সুর কানে নিয়ে আর 

Advertisement

সূর্যের পট পরিবর্তন দেখতে দেখতে সময় কেটে যাবে আনন্দে। চলতি মাসের ২১ ডিসেম্বর এই পিকনিক 
স্পট খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে পিকনিক স্পট এবং 
অতিথি নিবাস পিছু প্রতিদিনের ভাড়া এখনও ঠিক হয়নি। ভাড়া যাতে নাগালের ভিতর থাকে, তা নিয়েও চিন্তাভাবনা করছে মহেশতলা পুর কর্তৃপক্ষ।
মহেশতলা পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের উলুডাঙা তথা বাতিপোস্টের কাছে এই পিকনিক স্পট। শিয়ালদহ থেকে বজবজগামী ট্রেনে আকড়া স্টেশন। সেখান থেকে অটো ও ই রিকশ করে বাতিপোস্ট যাওয়া যায়। এছাড়াও কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়িতে আসা যায়। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাস বলেন, এক সময় এখানে জাহাজ চলাচলের জন্য লাইটহাউস ছিল। এখন সেই লাইটহাউস তথা বাতিপোস্ট নেই। কিন্তু লোকমুখে এই স্থান এখন বাতিপোস্ট হিসেবে পরিচিত হয়ে গিয়েছে।
চেয়ারম্যানের কথায়, অনেকদিন ধরে এই পিকনিক স্পট তৈরির পরিকল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে গাটছড়া বেঁধে পিপিপি মডেলে এটা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৪ বিঘা জমি রয়েছে। ভিতরে আলাদাভাবে ২৫টি সাজানো-গোছানো পিকনিক স্পট করা হয়েছে। সেখানে রান্না ও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। চারপাশ গাছগাছালিতে ঘেরা। বসার জায়গা আছে। বিশ্রামের ব্যবস্থাও আছে। এখানেই রান্নার সরঞ্জাম থেকে গ্যাস পাওয়া যাবে। এর বাইরে ২৪টি আলাদা গেস্ট হাউস করা হয়েছে। সব গঙ্গামুখী। কেউ যদি পরিবার কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য তা ভাড়া নিতে চান, তাহলে সেই ব্যবস্থাও আছে। অফিসের মিটিং থেকে পার্টি দেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কোয়েট তৈরি করা হয়েছে। এক কথায় সব ধরনের ব্যবস্থা নতুন এই পিকনিক স্পটে রয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার বন্দোবস্তও রয়েছে, যাতে এর ভিতরে হুটহাট ঢুকে বহিরাগতরা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারেন। এর পরিচালন ব্যবস্থা থাকছে পুরসভার হাতে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ