আর্থিক স্বাধীনতা। পছন্দের চাকরি। মানুষ হিসেবে আত্মসম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে। ছোটো থেকেই এই স্বপ্নের বীজ মেয়ের অন্তরে বপন করেছিলেন মা। মেয়ের প্রতিটি সাফল্যে, ব্যর্থতায় নিঃশব্দে পাশে ছিলেন। হেরে যাওয়া মানে হারিয়ে যাওয়া নয়। এই শিক্ষা বুনে দিয়েছিলেন প্রতি পদক্ষেপে। সেই মেয়ে যখন মাকে নিয়ে নিজের কর্মস্থলে যান, দেখাতে পারেন সাফল্যের সিঁড়ি, তখন তা মনে রাখার মতো কিছু মুহূর্ত তৈরি করে। আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন মা ও মেয়ে। এই মেয়ে অর্থাৎ সুপর্ণা পাল। বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। নিজের জীবনের এই স্ট্রাগলের কাহিনি তুলে ধরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা আপাতত ভাইরাল। সমাজমাধ্যমে তিনি শেয়ার করেছেন নিজের কর্মস্থলে মাকে নিয়ে যাওয়ার ছবি। জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জে মা শিবানিকে পাশে পেয়েছেন সুপর্ণা। আজ মায়ের গর্বের দিন। স্বভাবতই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন দু’জনেই। সুপর্ণা জানিয়েছেন, তিনি পছন্দের কেরিয়ার বেছে নিয়েছেন। নিজস্ব পেশায় একজন সফল পেশাদার। আর এই সবটাই সম্ভব হয়েছে মায়ের জন্য। যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা তাঁর একার ছিল না। মা, মেয়ের যৌথ স্বপ্ন সফল হয়েছে। মা মানেই এক অনন্ত আশ্রয়। শাসনে, আদরে ঘিরে থাকা এক নিশ্চিন্ত নিরাপত্তা। মাকে আজ গর্বিত করতে পেরে খুশি সুপর্ণা। কোথাও যেন মেয়ের মধ্যে দিয়ে নিজের অপূর্ণ সাধও মিটিয়েছেন শিবানি। তিনি বরাবরই মেয়েকে ভরসা দিয়েছেন। যখন নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন সুপর্ণা, তখন তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন মা। সেই পরিশ্রমের ফল আজ মিলেছে। মেয়ে যে ভালো মনের মানুষ হয়েছে, এতেই সবথেকে বেশি খুশি শিবানি।



