Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহালয়ার সন্ধ্যায় শ্রীভূমির মণ্ডপ খুলতেই চেনা ভিড়, প্রবল উচ্ছ্বাস

‘প্রথমদিনেই এত ভিড়! ভেবেছিলাম, ফাঁকায় ফাঁকায় ঘুরে নেব। কিন্তু, তা আর হল কই’? মহালয়ার সন্ধ্যা। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দরদর করে ঘামছিলেন এক দম্পতি।

মহালয়ার সন্ধ্যায় শ্রীভূমির মণ্ডপ খুলতেই চেনা ভিড়, প্রবল উচ্ছ্বাস
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ‘প্রথমদিনেই এত ভিড়! ভেবেছিলাম, ফাঁকায় ফাঁকায় ঘুরে নেব। কিন্তু, তা আর হল কই’? মহালয়ার সন্ধ্যা। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দরদর করে ঘামছিলেন এক দম্পতি। রুমাল বের করে ঘাম মুছতে মুছতে এগোচ্ছিলেন। আর থামছিলেন। পিল পিল করছে দর্শনার্থীরা। নতুন পোশাক পরে ঠাকুর দেখতে এসেছেন। তাও আবার শ্রীভূমি। ওই দম্পতির কথায়, ‘ভিড় যতই হোক। ঠাকুর দেখেই বাড়ি ফিরব’। মণ্ডপে ঢুকেই চোখ আটকে গেল দর্শনার্থীদের। বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিউজার্সির স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দির চোখের সামনে। শুধু কি তাই? মায়ের গা ভর্তি গয়না। তাও আবার কয়েক কেজি!

Advertisement

শনিবার বিকেলে শ্রীভূমিতে এসে উৎসবের সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার মহালয়ার সন্ধ্যার পর দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপ খুলে দেওয়া হবে বলে আগাম ঘোষণাও করা হয়েছিল। সেইমতো মহালয়ায় ঠাকুর দেখার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন দর্শনার্থীরা। শত শত মানুষ মানুষ বিকেল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন। সন্ধ্যার আগেই সার্ভিস রোড জুড়ে মানুষের ভিড়। তখনও মণ্ডপের দ্বার খোলা হয়নি। কিন্তু, তাতে কী? উৎসব প্রিয় মানুষ মণ্ডপের সামনে পৌঁছেছেন ভিড় ঠেলে ঠেলে। তারপর বাইরে থেকেই ঠাকুর দেখার সেলফি নিয়ে চলে গিয়েছেন। এক তরুণী বললেন, ‘আবার আসব। পুজো তো সবে শুরু।’
তবে, যাঁরা সন্ধ্যার সময় লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁরা অবশ্য ভিতরে ঢোকার সুযোগ পেয়েছেন। দীর্ঘ লাইন, গরম সহ্য করার পর ঠাকুর দেখার এক অকৃত্রিম আনন্দ। অবসরপ্রাপ্ত এক বৃদ্ধ দুই নাতির সঙ্গে এসেছিলেন শ্রীভূমি। তিনি বলেন, ‘প্রতিমা দর্শন করতে এসেছি। ভিড় হোক। মাকে দেখেই বাড়ি ফিরব।’ শ্রীভূমির ভিড় নিয়ন্ত্রণ পুলিশের কাছেও চ্যালেঞ্জ। তার উপর ভিআইপি রোডে যাতে যানজট না-হয়, তার জন্য শনিবারই সর্তক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই শুরুর দিন থেকেই পুলিশি তৎপরতা দেখা গিয়েছে। যানজট দেখা যায়নি। এদিন শ্রীভূমিতে দুটি অ্যাম্বুলেন্সেরও উদ্বোধন করা হয়। পুজোর কর্ণধার মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, ‘পুজোর সময় এই অ্যাম্বুলেন্স দুটি রাখা হবে। কেউ অসুস্থ হলে কাজে লাগবে। এর মধ্যে একটিতে আইসিইউ ব্যবস্থাও আছে।’ - নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ