Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রোদ-শীতের লুকোচুরিতে জমজমাট রবিবার, গরম জামা উপেক্ষা করে বেকায়দায় শহরবাসী

সকালেই কড়া রোদ এসে পড়ছে বিছানায়। কিন্তু জানলা খুললে শীতল বাতাস ছুঁয়ে দিচ্ছে শরীর

রোদ-শীতের লুকোচুরিতে জমজমাট রবিবার, গরম জামা উপেক্ষা করে বেকায়দায় শহরবাসী
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সকালেই কড়া রোদ এসে পড়ছে বিছানায়। কিন্তু জানলা খুললে শীতল বাতাস ছুঁয়ে দিচ্ছে শরীর। কিংবা রাস্তার ধারে ছায়ায় দাঁড়ালে শিরশিরানি ঠান্ডা ভাব। শীত কি তবে ফিরে এল? আবহাওয়া বলছে, খানিক তো এলই। সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি। সকালের পর তীব্র রোদ দেখে যাঁরা গরম জামা উপেক্ষা করে বেরিয়েছিলেন রাস্তায়, তাঁরা সন্ধ্যার পর টের পেলেন, একটু ভুল হয়ে গিয়েছে। রোদ মুখ লুকোতেই ‘গায়ে একটা গরম জামা থাকলেই ভালো হত’ বলে বোধোদয় তাঁদের।

Advertisement


রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তা স্বাভাবিকের থেকে ২.৪ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি। তবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ, সোম ও কাল, মঙ্গল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে। তারপর দু’দিন ১৬ ডিগ্রির আশপাশে। সপ্তাহান্তে আরও খানিকটা যাবে বেড়ে। অর্থাত্ শীতের এই ফেরত আসা আরও কয়েকদিন রয়ে গেল। ফলত, গরম জামা এখনই তুলে রাখার সময় আসেনি। অন্তত রাতে বাড়ি ফেরার সময় গাড়ির জানলা দিয়ে যে হাওয়া ঢুকছে তা ফেলছে যথেষ্ট বিড়ম্বনায়। 


কলকাতার আশপাশের তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমেছিল রবিবার। বারাকপুর, ক্যানিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে ১২ ডিগ্রির আশপাশে ছিল। সল্টলেক ১৫ ডিগ্রিতে আটকে গেলেও দমদম ও বসিরহাট ছিল ১৩ ডিগ্রি। অন্যদিকে মগরা, ডায়মন্ডহারবার, কাকদ্বীপের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির আশপাশে ছিল। কল্যাণী তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিল। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ডিসেম্বরের গোড়ার দিক কিংবা জানুয়ারির শুরুর কথা মনে করাচ্ছে সকলকে। কল্যাণীর এদিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি কম ছিল। তাপমাত্রা এতখানি নেমে যাওয়ার কারণ উত্তুরে হাওয়া। রোদের মাঝে যে উত্তুরে হাওয়ার প্রকোপে ফুরফুরে ঠান্ডা জানান দিচ্ছে, সে এখনই যাচ্ছে না। 


এসবের মধ্যে রবিবারের কলকাতা ফের জমজমাট। ময়দান থেকে ভিক্টোরিয়া, দুপুরে লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে। ময়দানে ক্রিকেট খেলা আর ছবি তোলার ধুম। ময়দানে ঘুরতে আসা এক ব্যক্তি বললেন, ‘বাড়ি থেকে বেরনোর সময় তো গরমই লাগছিল। তাই জ্যাকেট রেখে এলাম। কিন্তু এখন তো দেখছি গায়ে একটা কিছু রাখলেই ভালো।’ তবে এই যে শীত যাবে যাবে বলেও থেকে যাচ্ছে, এতে কিন্তু শহর বেশ খুশি। সবার বক্তব্য, ‘গরম যতদিন ঠেকিয়ে রাখা যাবে ততদিনই ভালো থাকব।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ