নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: নিকাশি নালা রক্ষণাবেক্ষণে বার্ষিক করের পরিমাণ ৫০০ টাকা। শুধু তাই নয়, জঞ্জাল ও সেপটিক ট্যাঙ্ক সাফাই এবং হোর্ডিং করও বসানো হয়েছে। নিজস্ব আয় বাড়াতে এই কর লাগু করেছে শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত চম্পাসারি গ্রাম পঞ্চায়েত। ইতিমধ্যে তারা এ ব্যাপারে বাই-ল বা উপবিধি তৈরি করেছে। পঞ্চায়েতের প্রধান জনক সাহা বলেন, পঞ্চায়েত আইন মেনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই ওই উপবিধি চালু করা হয়েছে। এতে পঞ্চায়েতের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ উন্নয়নে জোয়ার আসবে।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির মধ্যে চম্পাসারি অন্যতম। ২৬টি সংসদ বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েত বিভিন্ন পেশা ও ভাষাভাষির লোকের বাস। এখানকার জনসংখ্যা ৫০ হাজার বেশি। মহানন্দা সহ বিভিন্ন নদী ও ঝোরা পঞ্চায়েত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। প্রতিবর্ষায় ভাসে গ্রামের একাংশ। সেই জল যন্ত্রণা রুখতেই নিকাশি নালা তৈরি ও সংস্কারে জোর দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তারা নিয়মিত গ্রামের জঞ্জাল সাফাই করতে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প চালু করেছে। এজন্য মিলন মোড়ে দেড় বিঘা জমিতে জঞ্জাল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গড়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট পরিষেবাগুলি স্বাভাবিক রাখতেই নয়া কর বিধি চালু করেছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে তারা এ ব্যাপারে উপবিধি প্রকাশ করেছে। তাতে উল্লেখ রয়েছে, নিকাশি নালা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে বছরে আদায় করা হবে ৫০০ টাকা। আর সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে জঞ্জাল সংগ্রহের জন্য প্রতি বাড়ি থেকে মাসে সংগ্রহ করা হবে ১০০ টাকা। বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের জন্য এককালীন আদায় করা হবে তিন হাজার টাকা। এই টাকা পঞ্চায়েত অফিসে দাখিলের তিনদিনের মধ্যে পরিষেবা প্রদান করা হবে।
পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর খসড়া উপবিধি প্রকাশ করা হয়। তা নিয়ে কোনও অভাব অভিযোগ পঞ্চায়েত অফিসে জমা পড়েনি। প্রধান বলেন, ইতিমধ্যে বোর্ডে আলোচনা করেই ওই খসড়া উপবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। পঞ্চায়েত আইন অনুসারে সেই উপবিধি সামনে রেখেই গত ১৪ নভেম্বর থেকে কর আদায় শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, হোর্ডি ফি’ও লাগু করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সূত্রের খবর, শহর সংলগ্ন হওয়ায় এখানে সরকারি ও বেসরকারি দেওয়ালে, রাস্তার পাশে হোর্ডিং ও ব্যানার টাঙিয়ে এবং পোস্টার সেঁটে প্রচার চালায় বিভিন্ন সংস্থা। এবার থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যানার ও হোর্ডিং ঝোলানো যাবে না। এজন্য মাসিক আড়াই টাকা প্রতি বর্গফুট হিসেবে কর আদায় করা হবে।
সংশ্লিষ্ট পরিষেবাগুলি স্বাভাবিক রাখতেই নয়া কর বিধি চালু করেছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে তারা এ ব্যাপারে উপবিধি প্রকাশ করেছে। তাতে উল্লেখ রয়েছে, নিকাশি নালা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে বছরে আদায় করা হবে ৫০০ টাকা। আর সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে জঞ্জাল সংগ্রহের জন্য প্রতি বাড়ি থেকে মাসে সংগ্রহ করা হবে ১০০ টাকা। বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারের জন্য এককালীন আদায় করা হবে তিন হাজার টাকা। এই টাকা পঞ্চায়েত অফিসে দাখিলের তিনদিনের মধ্যে পরিষেবা প্রদান করা হবে।
পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর খসড়া উপবিধি প্রকাশ করা হয়। তা নিয়ে কোনও অভাব অভিযোগ পঞ্চায়েত অফিসে জমা পড়েনি। প্রধান বলেন, ইতিমধ্যে বোর্ডে আলোচনা করেই ওই খসড়া উপবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। পঞ্চায়েত আইন অনুসারে সেই উপবিধি সামনে রেখেই গত ১৪ নভেম্বর থেকে কর আদায় শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, হোর্ডি ফি’ও লাগু করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সূত্রের খবর, শহর সংলগ্ন হওয়ায় এখানে সরকারি ও বেসরকারি দেওয়ালে, রাস্তার পাশে হোর্ডিং ও ব্যানার টাঙিয়ে এবং পোস্টার সেঁটে প্রচার চালায় বিভিন্ন সংস্থা। এবার থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের অনুমতি ছাড়া কোনও ব্যানার ও হোর্ডিং ঝোলানো যাবে না। এজন্য মাসিক আড়াই টাকা প্রতি বর্গফুট হিসেবে কর আদায় করা হবে।



