Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১০০ শয্যার হাসপাতাল, মহিলা কলেজ ও দমকল কেন্দ্র তৈরি হবে ফলতায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ফলতায় ১০০ শয্যার হাসপাতাল, মহিলা কলেজ ও দমকল কেন্দ্রের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উন্নত চিকিৎসার আশা ফলতাবাসীর। বিস্তারিত পড়ুন।

১০০ শয্যার হাসপাতাল, মহিলা কলেজ ও দমকল কেন্দ্র তৈরি হবে ফলতায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ১৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটের প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে লক্ষাধিক ভোটে জেতানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই মতোই হয়েছে ভোটের ফল। তাই বুধবার ফলতায় সরকারি অনুষ্ঠানে এসে কার্যত উপহারের ডালা উপুড় করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন শিল্প আনা থেকে শুরু করে মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র, ব্লক হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। বুধবার ফলতার ফতেপুর ফুটবল গ্রাউন্ডে জনকল্যাণ শিবিরের অনুষ্ঠানে এসে ফলতার জন্য সরকারের একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফলতাকে মডেল বিধানসভা গড়ে তুলব। এখানকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দরভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠবে। মহিলা কলেজ এবং দমকল কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ফলতা ব্লক হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে।’ জানা গিয়েছে, এটি একটি গ্রামীণ হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এর জন্য নতুন করে তৈরি হবে বিল্ডিং। তার জন্য জায়গা চিহ্নিত করে ডিপিআর সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, এতদিন এই ব্লক হাসপাতাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অভাব-অভিযোগ ছিল। ন্যূনতম চিকিৎসা ছাড়া বড়ো ধরনের অসুখবিসুখ হলে ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ‘রেফার’ করে দিতেন ডাক্তারবাবুরা। তাই নয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অনেকটাই সুবিধা হবে বলে আশাবাদী ফলতাবাসী। ডায়মন্ডহারবার স্বাস্থ্য জেলার এক আধিকারিক বলেন, ‘গ্রামীণ হাসপাতালের মর্যাদা পেলে পরিষেবা আরও উন্নত হবে। ডাক্তার, নার্সের সংখ্যা বাড়বে। এমনকি, যেকোনো ধরনের অস্ত্রোপ্রচারও সম্ভব হবে এখানেই।’ শুধু তাই নয়, ফলতা থানায় মহিলা হেল্প ডেস্ক তৈরির কথাও এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পর্যাপ্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন।  মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক ঘোষণা শুনে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহিলারা। ডায়মন্ডহারবার মহকুমার মধ্যেই ছাত্রীরা পড়াশোনার জন্য আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা পেতে চলেছেন। কয়েক বছর আগে চালু হয়েছে মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়। এবার কলেজ হয়ে গেলে আশপাশের বহু ছাত্রীকে আর কলকাতায় দৌড়াতে হবে না। এদিন জনকল্যাণ শিবিরের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনসহ বিজেপির একাধিক বিধায়ক, ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ