মালদহে আয়ুষ্মান ভারতের ৯০ হাজার আবেদন যাচাই বাকি, দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: আয়ুষ্মান ভারতের ৯০ হাজার আবেদন যাচাইয়ের কাজ এখনও বাকি মালদহে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভেরিফিকেশন বকেয়া রয়েছে কালিয়াচক-৩ ও মানিকচক ব্লকে। বন্যার জন্য এই দু’টি ব্লকে আয়ুষ্মান ভারতের ভেরিফিকেশনের কাজ ব্যাহত হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বকেয়া যাচাই পর্ব শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন। ফলে এখন প্রত্যেক কমিউনিটি হেল্থ অফিসারকে (সিএইচও) এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক সিএইচওকে লগ ইন আইডি দিয়ে বলা হয়েছে, তাঁর এলাকায় আয়ুষ্মান ভারতের কত আবেদন ভেরিফিকেশন বাকি, তা দেখে আশাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পাঠাতে হবে। সেইসঙ্গে কাদের এখনও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ভেরিফিকেশন হয়নি, তা জানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, আয়ুষ্মান ভারতের ভেরিফিকেশনের কাজে জোর দেওয়া হয়েছে। একাজে কমিউনিটি হেল্থ অফিসারদেরও নামানো হয়েছে। মাইকিং চলছে। 

Advertisement

প্রায় ৯০ হাজার ভেরিফিকেশন বাকি। শীঘ্রই আমরা তা শেষ করতে পারব বলে আশাবাদী। 
আগের সরকারের আমলে মালদহ জেলায় স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড ছিল ৩৪ লক্ষ। এসআইআরে অনেকের নাম বাদ যাওয়াই জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে আয়ুষ্মান ভারতের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩২ লক্ষ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ২৬ লক্ষের মতো কার্ড তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯ লক্ষ কার্ড হাতে তুলে দেওয়া গিয়েছে। বাকিটা প্রিন্ট হওয়ার অপেক্ষা। 
এদিকে, আয়ুষ্মান ভারতে ৩২ লক্ষ লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২৬ লক্ষ কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া শেষ হলেও বাকিটা সম্পন্ন হতে কতদিন লাগবে, ইতিমধ্যে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চেয়েছে স্বাস্থ্যভবন। প্রশাসন সূত্রের খবর, গত সোমবারও এনিয়ে স্বাস্থ্যভবনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে মালদহ জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকদের আয়ুষ্মান ভারতের ভেরিফিকেশন বকেয়া থাকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। 
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এসআইআরে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় প্রায় ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ভোটার কার্ড বাতিল হয়েছে মালদহে। এছাড়াও অনেকে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনায় আবেদন করছেন। ফলে আয়ুষ্মান ভারতের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।