Bartaman Logo
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বনগাঁ হাসপাতালে ৫ মাসের শিশুকে ৯ মাসের ভ্যাকসিন! বারবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ

কখনও অ্যাম্বুলেন্স না মেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, কখনও আবার হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ। এমনকি, আধার কার্ড না থাকায় রোগীকে ভরতি না নিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বনগাঁ হাসপাতালে ৫ মাসের শিশুকে ৯ মাসের ভ্যাকসিন! বারবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ
  • ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: কখনও অ্যাম্বুলেন্স না মেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, কখনও আবার হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ। এমনকি, আধার কার্ড না থাকায় রোগীকে ভরতি না নিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। শেষমেশ আধার কার্ড আনতে বাড়ি যাওয়ার পথে হাসপাতালের গেটে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় সেই রোগীর। মন ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এবার এই তালিকায় যুক্ত হল পাঁচ মাসের শিশুকে ভুল ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ। ৯ মাসের শিশুকে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তাই দেওয়া হয়েছে পাঁচ মাসের ওই শিশুকে। প্রতি ক্ষেত্রেই রোগীর আত্মীয়রা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়সাড়া মনোভাবের অভিযোগ তুলেছেন।

Advertisement

বুধবার পাঁচ মাসের সন্তানকে ভ্যাকসিন দিতে বনগাঁ হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন বনগাঁ থানা এলাকার বাগানগ্রামের বাসিন্দা অপরাজিতা তরফদার। অভিযোগ, ৫ মাসের শিশুকে ৯ মাসের ভ্যাকসিন দেন কর্তব্যরত নার্স। অপরাজিতা দেবী বলেন, ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এটা কেন দিলেন? বলার পর আরও একটা ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এরপর প্রশ্ন করলে ওই নার্স বলেন, ভুল হয়ে গিয়েছে। অভিযোগ, এরপর ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ করার চেষ্টা করেন অন্য কর্মীরা। তাঁরা বলেন, এতে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। যদিও পরিবারের দাবি, ভুল ভ্যাকসিন দেওয়াতেই শিশুটির জ্বর এসেছে। এ বিষয়ে বনগাঁ হাসপাতালের সুপার ডাঃ কৃষ্ণচন্দ বড়াই বলেন, লিখিত অভিযোগ না পেলেও বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একের পর এক গাফিলতির ঘটনা সামনে এলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি রোগীর আত্মীয়দের। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে এসে কোনো অভিযোগ করতে হলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। সুপারের দেখা পাওয়াই মুশকিল। মাঝেমধ্যেই হাসপাতালে এক্স-রে, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি বন্ধ থাকে। বনগাঁ হাসপাতালে পরিকাঠামো থাকলেও পরিষেবা মেলে না বলে অভিযোগ রোগীর আত্মীয়দের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ