সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: চা বাগানের কোয়ার্টারে থেকে দিন কেটেছিল ফুলন্তি এক্কার। ইচ্ছে ছিল নিজের একটি ঘর হবে। অবশেষে রাজ্য সরকারের চা সুন্দরী প্রকল্পের আওতায় ঘর পেলেন ফুলন্তি এক্কা। ঘর পেল ধূপগুড়ি মহকুমারের বানারহাটের মোট ৮১টি আদিবাসী পরিবার। রবিবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পরিবারগুলির হাতে ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা, বানারহাট বিডিও নিরঞ্জন বর্মন, ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়, জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সীমা চৌধুরী।
দু’বছর আগে ব্লকের রেডব্যাঙ্ক চা বাগান এলাকায় চা সুন্দরী প্রকল্পের ঘর তৈরি শুরু হয়। আর এই কাজ শুরু হওয়ায় খুশির হাওয়া ছিল আদিবাসী সমাজের মধ্যে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে ৮১টি পরিবার থাকবে। এদিন ঘর উদ্বোধনের অনুষ্ঠানেও খুশির হাওয়া ছিল আদিবাসী সমাজের মধ্যে। তেমনি রাজ্য সরকারের গুণগানও শোনা যায় চা শ্রমিকদের মধ্যে। ঘরের চাবি পেয়ে অমিতা নাগাসিয়া, সিনিয়া ওরাওঁয়ের মতো আদিবাসী সমাজের মহিলারা বলেন, শ্রমিক কোয়ার্টারে জীবনটা কাটল। অবশেষে সরকারি উদ্যোগে নিজের ঘর হল। বানারহাটের বিডিও নিরঞ্জন বর্মন বলেন, এক একটি ঘর তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।
জানা গেছে, ঘরে রয়েছে দুটি বেডরুম, একটি কিচেন ও একটি ড্রয়িংরুম রয়েছে। এছাড়াও জল ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাও রয়েছে। ধূপগুড়ির বিধায়ক বলেন, চা সুন্দরী প্রকল্পের মাধ্যমে আদিবাসী সমাজ উপকৃত হচ্ছে। ঘর পেয়ে তাঁরা আনন্দিত। - নিজস্ব চিত্র।