নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুর-এর দাপটে কেঁপে গিয়েছে পাকিস্তান। ভারত সরকার জানিয়েছে এই অপারেশন চলবে। তবে এবার কূটনৈতিক পদ্ধতিতে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে চলেছে ভারত। বিশ্বমঞ্চে এবার বেআব্রু হতে চলেছে পাকিস্তান। আর তার জন্যই কংগ্রেসের শশী থারুর-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ৭জন প্রতিনিধিকে বাছাই করল কেন্দ্র সরকার।
এই সাত প্রতিনিধির দল মূলতঃ বিভিন্ন দেশে গিয়ে অপারেশন সিন্দুরের গুরুত্ব বোঝাবে। পহেলগাঁও হানায় যে বিদেশি শক্তি জড়িত ছিল, তাও বিশ্বমঞ্চের সামনে তুলে আনবেন এই সদস্যরা। ফলে পাকিস্তানের মুখ যে আরও একবার আন্তর্জাতিক আঙিনায় কালিমালিপ্ত হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। জানা গিয়েছে, এই সাত প্রতিনিধি আলাদা আলাদা ভাবে জাপান, আমেরিকা, সাউথ আফ্রিকা, সাউথ কোরিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো দেশে যাবেন।
শনিবার এই সাত সদস্যের নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, “যখন দেশের স্বার্থ সবচেয়ে আগে, তখন ভারত একজোট হয়ে দাঁড়ায়। সাতটি সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল শীঘ্রই বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলিতে সফরে যাবে।”
অন্যদিকে, এই পদক্ষেপকে আগেই সমর্থন করেছিলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, “জাতীয় স্বার্থ যেখানে জড়িত, সেখানে আমার প্রয়োজন হলে পিছিয়ে থাকব না। ভারত সরকারের আমন্ত্রণে আমি সম্মানিত।” শশী থারুর ছাড়াও এই দলে যে সদস্যরা রয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, বিজেপি সাংসদ বৈজয়ন্ত পান্ডা, ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি করুণানিধি, জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় কুমার ঝাঁ,এসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং শিবসেনা সাংসদ শ্রীকান্ত একনাথ শিন্ডে।