চোরবাগান মণ্ডপ বিপর্যয়ে ধৃত ৭, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে আরাও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৫৯
Prefer us on Google

কলকাতা, ১৮ অক্টোবর: চোরবাগান সর্বজনীনে গতকালের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সামনে এসেছে পুজোর উদ্যোক্তাদের নানা গাফিলতি। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে আছেন পুজো কমিটির সচিব, সহ-সভাপতি এবং বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার দুই কর্মী। বাকি তিনজনের জন্য দুজন ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং একজন ডেকরেটার সংস্থার কর্মী।

Advertisement

গতকাল রাতের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য বেশ কয়েকটি কারণের দিকে আঙুল তুলেছে লালবাজার। সূত্রের খবর, মণ্ডপের  ভিতরে  ঠাকুরের কাছে আলো অত্যন্ত কম ছিল। পুজো কমিটিকে বাড়তি আলোর ব্যবস্থা করতে বলা হলেও তারা শোনেনি বলে অভিযোগ।

এছাড়া অনেকেই এই বিপর্যয়ের জন্য আম আদমির জন্য নির্ধারিত প্রবেশ-বাহির পথকে দায়ী করেছেন। ভিআইপি গেটের তুলনায় এটি অনেক সংকীর্ণ ছিল বলে দাবি করেছেন তাঁরা। পুলিশের দাবি, গেট চওড়া করতে বলা হয়েছিল পুজোর আয়োজকদের।কিন্তু সেই দাবিও পুজো উদ্যোক্তারা কানে তোলেননি বলে এক পুলিশকর্তার দাবি।

চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে এই বিপর্যয়ের দায় কার? সপ্তমীর রাতে পদপিষ্টের ঘটনার পর এই প্রশ্নই ঘুরে ফিরে উঠছে। উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি পুলিশকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা। অভিযোগ, এত বড়ো বিপর্যয়ের পর কলকাতা পুলিশের সামান্য সাহায্যটুকু মেলেনি। এমনকি, নিথর দেহগুলিকে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ছিল না।