


সংবাদদাতা, বনগাঁ: হেলমেটহীন বাইক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য পুলিশ। বনগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও হেলমেট বিহীন বাইক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৎপরতা বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে বনগাঁ ট্রাফিক পুলিশ হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর দায়ে ৬৭০টি মামলা দায়ের করেছে। আগামীতে এই বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়বে বলে বনগাঁ পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। খুব শীঘ্র বনগাঁ ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধেও অভিযান শুরু করবে বনগাঁ পুলিশ।
বনগাঁ শহরে হেলমেটহীন বাইক চালকদের দাপট যথেষ্ট। বেপরোয়া বাইকের দাপটে ঘটে দুর্ঘটনা। চালকদের হেলমেট না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হেলমেট বিহীন বাইক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বনগাঁ শহরের একাধিক জায়গায় শুরু হয়েছে ধরপাকড়। ত্রিকোণ পার্ক, বাটার মোড়, মতিগঞ্জ ঘড়ির মোড়ে হেলমেট বিহীন বাইক চালকদের ধরে কেস দিতে দেখা যাচ্ছে পুলিশকে। পুলিশের ধরপাকড়ের পর কিছুটা হলেও হেলমেট ব্যবহার বেড়েছে। এবিষয়ে শহরের বাসিন্দা শিক্ষক দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, বাইক চালানোর ক্ষেত্রে হেলমেট ব্যবহার শুধুমাত্র পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য নয়। নিজের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও হেলমেট পরার জরুরি। পুলিশের ভয়ে হলেও মানুষ হেলমেট পরছেন। এটা ভালো দিক। বাসিন্দাদের অনেকের দাবি, শুধু হেলমেট ব্যবহার নয়। বাইক দৌরাত্ম্য রুখতে প্রশাসনকে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্ধ্যা হলে বাইকের বেপরোয়া দৌরাত্ম্য দেখা যায়। এটা খুবই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। এবিষয়ে বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বলেন, হেলমেট ব্যবহার শুধু পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য নয়। নিজেদের সুরক্ষায় বাইক চালকদের হেলমেট ব্যবহার জরুরি। আমি বনগাঁর সকল বাসিন্দাকে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।