Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬

বিজেপির জেতা ত্রিশূরে খালি বাড়ি ও ফ্ল্যাটে ৬০ হাজার ভুয়ো ভোটদাতা

মহারাষ্ট্র, বিহার থেকে শুরু করে কর্ণাটক। ভুয়ো ভোটার বিতর্কে তোলপাড় সারা দেশ। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

বিজেপির জেতা ত্রিশূরে খালি বাড়ি ও ফ্ল্যাটে ৬০ হাজার ভুয়ো ভোটদাতা
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

ত্রিশূর: মহারাষ্ট্র, বিহার থেকে শুরু করে কর্ণাটক। ভুয়ো ভোটার বিতর্কে তোলপাড় সারা দেশ। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিজেপির আঁতাতের অভিযোগে সোচ্চার তিনি। এরইমধ্যে কেরলের ত্রিশূর লোকসভা এলাকার এক মহিলার দাবি চোখ কপালে তুলে দিয়েছে। প্রসন্ন নামে ওই মহিলার অভিযোগ,  ত্রিশূর শহরে তাঁর ঠিকানা ব্যবহার করে অচেনা ন’জনের নাম তোলা হয়েছে ভোটার তালিকায়।গত লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণের এই রাজ্যে শুধুমাত্র ত্রিশূরেই জয় পেয়েছিল বিজেপি। ৭৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বর্তমান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ গোপী। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ত্রিশূরের ভোটার তালিকায় কারচুপি হয়। এখানকার প্রাক্তন সাংসদ  টি এন প্রথাপনের দাবি, গুরুভায়ুর ও ত্রিশূরের বিভিন্ন খালি ফ্ল্যাট-বাড়ির ঠিকানায় প্রায় ৬০ হাজার ভুয়ো ভোটারের নাম তোলা হয়েছে। সিপিএমও একই ধরনের অভিযোগে সরব। এরইমধ্যে প্রসন্নর দাবি ভুয়ো ভোটার বিতর্কে আরও ইন্ধন  জুগিয়েছে। প্রসন্ন জানিয়েছেন, তিনি পুনকুন্নম এলাকার ৪সি ক্যাপিটাল ভিলেজ অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। তাঁর পরিবারে মোট সাত সদস্যের মধ্যে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি ছাড়া বাড়ির বাকিরা পৈতৃক গ্রাম পুচিনিপাদমের ভোটার। অথচ তাঁর ত্রিশূরের ঠিকানা ব্যবহার করে ন’জনের নাম ভোট তালিকায় তোলা হয়েছে। এব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ তাঁর জানা ছিল না। সম্প্রতি ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কাজে এলে সব জানতে পারেন। প্রসন্ন বলেছেন, ‘আমি ওদের কাউকেই চিনি না। সম্মতি ছাড়া আমাদের ঠিকানায় অন্য নাম যোগ করা মোটেই ঠিক নয়।’ এই ঘটনায় জেলা কালেক্টরের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রসন্ন। 

Advertisement

কমিশনের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগে সরব কেরলের সিপিএম নেতা ভিএস সুনীল কুমারও। তাঁর দাবি, ত্রিশূরে ভোটার রেজিস্ট্রেশনে বিস্তর অনিয়ম হয়েছে। একটি বুথে ২৮০ জন আবেদনকারী এসেছিলেন। সেখানে অন্যান্য কেন্দ্রের ভোটার ও পরিযায়ী শ্রমিকদের নামও নথিভুক্ত করা হয়। সিপিএম কর্মীদের দাবি, পুনকুন্নমের একাধিক খালি ফ্ল্যাটকে ভুয়ো ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই জাল ঠিকানায় অন্যান্য জেলার ভোট পড়েছে। এক দলীয় কর্মীর কথায়, ‘ফ্ল্যাটের প্রকৃত মালিক এই ভুয়ো ভোটারদের বিষয় কিছুই জানতে পারেন না। বিষয়টা অত্যন্ত গুরুতর।’

সম্পর্কিত সংবাদ