নয়াদিল্লি: বিদেশে মোটা অঙ্কের বেতনে মিলবে কাজের সুযোগ। এই ফাঁদে পা দিয়ে সাইবার ক্রাইমের দাসত্ব চক্রে জড়িয়ে পড়েছিলেন বহু ভারতীয়। মায়ানমারে আটকে রেখে তাঁদের দিয়ে ডিজিটাল অ্যারেস্ট সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার জালিয়াতি করানো হতো। সেই চক্রের হাতে আটক ৬০ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই প্রতারণা চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিস। তাদের মধ্যে একজন বিদেশিও রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, থাইল্যান্ড সহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মোটা বেতনে কাজের সুযোগ রয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হতো। যাঁরা এই ধরনের পোস্টে আগ্রহ দেখাতেন, তাঁদেরকে চিহ্নিত করে চাকরি বিষয়ক একদফা কথাবার্তা চালানো হতো। এরপরেই আগ্রহীদের পাসপোর্ট, প্লেনের টিকিটের ব্যবস্থা করে ট্যুরিস্ট ভিসায় তাঁদের থাইল্যান্ডে পাঠানো হতো। সেদেশে পা রাখতেই গাড়িতে করে চাকুরি প্রত্যাশীদের মায়ানমার সীমান্ত পার করে ঢোকানো হতো কড়া নিরাপত্তায় মোড়া একটি জায়গায়। গোটা এলাকায় পাহারার দায়িত্বে সশস্ত্র বাহিনী। পালাবার পথ নেই। বাধ্য হয়েই চক্রের পান্ডাদের নির্দেশে ডিজিটাল অ্যারেস্ট সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার জালিয়াতি করতে বাধ্য হন ‘বন্দি’রা। আরও জানা গিয়েছে, তদন্তে নেমে টোপ দিয়ে লোক নিয়োগে জড়িত থাকার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিস। তাদের মধ্যে রয়েছে মণীশ গ্রে ওরফে ম্যাডি নামে এক অভিনেতা ও চীন-কাজাখস্তানের নাগরিক তালানীতি নুলাক্ষি। ভারতে সাইবার জালিয়াতির অন্যতম মূল চক্রী এই নুলাক্ষীই।



