Bartaman Logo
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মণিপুরে ৬ ঘণ্টার গুলির লড়াই, ফের হিংসার আগুনে পুড়ল বাড়ি

ফের রণক্ষেত্র মণিপুর। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কাংপোকপি জেলার চাওয়াংকিনিং নাগা গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা।

মণিপুরে ৬ ঘণ্টার গুলির লড়াই,  ফের হিংসার আগুনে পুড়ল বাড়ি
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, ইম্ফল: ফের রণক্ষেত্র মণিপুর। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কাংপোকপি জেলার চাওয়াংকিনিং নাগা গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। বিপুল সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি পাহাড়ি ওই গ্রামটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এলাকায় মোতায়েন থাকা জওয়ানরা পালটা জবাব দেয়। বুধবার ভোর সাড়ে চারটে পর্যন্ত, প্রায় ছ’ঘণ্টা ধরে গুলির লড়াই চলে। সেখানকার দু’টি বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয় জঙ্গিরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশী তামেংলং জেলার লেইসাংফাইয়ে দু’জন কুকি মহিলাকে গুলি করে হত্যার কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলার ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ড্যানিয়েল চেরেনামাই জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রথম গ্রামে গুলির আওয়াজ শুনতে পান তাঁরা। প্রায় ভোর চারটে পর্যন্ত গুলির লড়াই চলে।

Advertisement

এদিকে, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের কারণে ২০২৩-২৬ সালের মধ্যে, তিন বছরে জিএসটি রাজস্বে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি ঘাটতি হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের অর্থনীতির উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সিভিল সোসাইটির সংগঠনগুলির কাছে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসাবে বন্‌ধ ও অবরোধের পথ থেকে বিরত থাকার আবেদনও রেখেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঠিক করতে এবং উন্নয়নের সঠিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, মণিপুরে জাতিগত হিংসার ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অন্তত ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৪৯ জন। গৃহহীন কয়েক হাজার মানুষ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ