মঙ্গল ঘোষ, পুরাতন মালদহ: সালটা ১৯৬৭। স্থানীয়দের দাবি,ওই সময়ে গাজোলের ময়না ১৮ পাড়া এলাকার কোথাও দুর্গাপুজো হতো না। এলাকার মানুষকে আনন্দ দিতে স্বর্গীয় জ্যোতিষ চন্দ্র রায়, ভূপেন্দ্র নাথ প্রসাদ, ধীরেন্দ্র নাথ পাল, প্রেম চাঁদ সরকার, দীনেশ চন্দ্র মণ্ডল, শান্তিরঞ্জন সরকার সহ পাড়ার বাসিন্দাদের যৌথ উদ্যোগে ময়না ভিতর বাজারে প্রায় ছয় দশক আগে দুর্গাপুজো শুরু হয়। সেই সময়ের উদ্যোক্তাদের মধ্যে মহেন্দ্র মণ্ডল এবং পূর্ণচন্দ্র রায়ের স্মৃতিতে আজও টাটকা পুজো শুরুর স্মৃতি। তাঁদের হাত ধরে প্রচলিত পুজো আজও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে হয় এবং বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে।
এবার মায়ের রূপ হবে সাবেকি। পুজোর অষ্টমীতে অঞ্জলি দিতে মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। শুধু তাই নয়, দশমীতে আদিবাসী নৃত্য এবং প্রসাদ বিতরণ নজর কাড়ে।
পুজোকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে কিছুটা দূরে ময়নাবাজার রয়েছে। ওই বাজার কমিটির তত্ত্বাবধানে দুর্গাপুজো হয়। কমিটির চেয়ারম্যান রয়েছেন মলয় সরকার। সম্পাদক বিকাশ সরকার। বাজার কমিটির পরামর্শে যুবকরা বর্তমানে পুজো পরিচালনা করেন।
পুজো কমিটির সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন কৌশিক সাহা, সভাপতি শুভজিৎ সরকার, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় বিশ্বাস, অন্যতম সদস্য সুদীপ রবিদাস, রিজু পাল, বিশাল রায়, জয়ন্ত রায় এবং অনুপ রায়।
ময়না বাজার কমিটির চেয়ারম্যান এবং সম্পাদক বলেন, ১৮টি পাড়ার মধ্যে প্রায় ছয় দশক আগে আমাদের পুজোই সর্বপ্রথম শুরু হয়। এই পুজোর সঙ্গে স্থানীয়দের আবেগ এবং এলাকার ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। এবার লক্ষ্মীপুজোও ধুমধাম করে করা হবে। নিজস্ব চিত্র