জয়পুর: কীটনাশকের মান যথাযথ নয়। তাই অতিরিক্ত কীটনাশক দিতে হয়েছে জমিতে। তাতে শুধু জমি বা জীব বৈচিত্রেরই ক্ষতি হয়নি। অতিরিক্ত কীটনাশকের সংস্পর্শে মৃত্যু হয়েছে বহু কৃষকের। এ চিত্র রাজস্থানের। ২০২৪ থেকে ২০২৬-এই দু’বছরে কীটনাশকের সংস্পর্শে ৫৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ কোটি ১০ লক্ষ টাকা খরচ করেছে ভজনলাল শর্মা সরকার। তবে এতে চাপা দেওয়া যাচ্ছে না সরকারের ব্যর্থতা। রাজ্য সরকার কেন উপযুক্ত গুণমানের কীটনাশক সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। কৃষ্ণপোলের কংগ্রেস বিধায়ক আমিন কাজি বলেন, ‘চাষ আবাদ করতে গিয়ে শয়ে শয়ে কৃষকের মৃত্যু হচ্ছে। সরকার কেবল ক্ষতিপূরণ দিয়ে হাত ঝেড়ে ফেলতে পারে না। উপযুক্ত গুণমানের কীটনাশক যাতে কৃষককে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’ তবে আশ্চর্যের হল, কৃষক মৃত্যুর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি রাজস্থানের কৃষিমন্ত্রী কিশোরীলাল মিনা। তাঁর কথায়, থানা থেকে কৃষক মৃত্যু নিয়ে যে পরিসংখ্যান স্বরাষ্ট্র দপ্তর জোগাড় করেছে, তা যাচাই করা হবে। তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকার জৈব চাষে জোর দিচ্ছে। কৃষক যদি ২৫ শতাংশ জমিতে জৈব চাষ করে, তবে কীটনাশকের উপর নির্ভরতা কমবে।’



