Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানিকচকের গোপালপুরে ৫০০ বাড়ি জলমগ্ন, দ্রুত ত্রাণের দাবি দুর্গতদের

মানিকচকে গঙ্গানদীতে আরও বাড়ল জলস্তর। গোপালপুর অঞ্চলের চারটি গ্রাম জলমগ্ন হয়েছে। কিছু জায়গায় বাঁধ ছুঁয়েছে গঙ্গার জল। তার মধ্যে গোপালপুরের অসংরক্ষিত এলাকার প্রায় পাঁচশো বাড়ি জলমগ্ন।

মানিকচকের গোপালপুরে ৫০০ বাড়ি জলমগ্ন, দ্রুত ত্রাণের দাবি দুর্গতদের
  • ১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকে গঙ্গানদীতে আরও বাড়ল জলস্তর। গোপালপুর অঞ্চলের চারটি গ্রাম জলমগ্ন হয়েছে। কিছু জায়গায় বাঁধ ছুঁয়েছে গঙ্গার জল। তার মধ্যে গোপালপুরের অসংরক্ষিত এলাকার প্রায় পাঁচশো বাড়ি জলমগ্ন। প্রায় সপ্তাহখানেক জলমগ্ন থাকলেও প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ভ্রূক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ দুর্গতদের। অর্ধাহারে, অনাহারে কাটাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

Advertisement

মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর চরম বিপদসীমা থেকে প্রায় ৩১ সেন্টিমিটার উপরে বইছে। শনিবার জলস্তর ছিল ২৫.৬১ মিটার। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফুলহারের জল। এদিন ৪৭ সেন্টিমিটার জলস্তর বেড়ে হয়েছে ২৭.৯০ মিটার। এতে মানিকচকের গোপালপুর অঞ্চলের চারটি গ্রাম একেবারে জলমগ্ন। কামালতিপুর, উত্তর ও দক্ষিণ হুকুমতটোলা এবং ঈশ্বরটোলা গ্রাম প্রয় জলের তলায় চলে গিয়েছে। এই চারটি গ্রামের প্রায় পাঁচশোর বেশি পরিবারের বাড়িঘর জলের তলায় থাকলেও অনেকে ভিটে আঁকড়ে বাড়ির ছাদ, চালে আশ্রয় নিয়েছেন। শৌচালয়, টিউবওয়েল জলের তলায়। বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী থাকলেও রান্নাঘর জলের তলায় চলে যাওয়ায় রান্না করে খাওয়ার উপায় নেই। বাড়িতে যা খাবার ছিল, সেসব একেবারে শেষের দিকে। এরকম চলতে থাকলে পরিবার সহ অনাহারে কাটাতে হবে বলে দাবি ওই পরিবারগুলির। অভিযোগ, দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও প্রশাসন ত্রাণের ব্যবস্থা করেনি বলে অভিযোগ। দুর্গত ফাইজুল শেখ বলেন, কয়েকদিন জলবন্দি হয়ে থাকলেও খোঁজ নিচ্ছেন না জনপ্রতিনিধিরা। সাহায্যের জন্য বারবার ফোন করলেও ধরছেন না পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও প্রধানরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবারের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। এরকম চললে কীভাবে বাঁচব?        
মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, বানভাসি পরিবারগুলির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। রবিবার থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ