নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: টিএমটি বার বিক্রির নামে প্রতারণা চক্রের মূল মাথাকে গ্রেপ্তার করল হাওড়া সিটি পুলিশ। এর আগে এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফলে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল আট।
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: টিএমটি বার বিক্রির নামে প্রতারণা চক্রের মূল মাথাকে গ্রেপ্তার করল হাওড়া সিটি পুলিশ। এর আগে এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফলে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল আট।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ দায়ের হয় জুন মাসে। অনলাইনে একটি মোবাইল নম্বর খুঁজে পেয়েছিলেন এক ব্যক্তি। নম্বরটিতে ফোন করে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তি টিএমটি বার সরবরাহের এজেন্ট। কম দামে নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যাবে বলে জানান এজেন্ট। আসলে সেটাই ছিল প্রতারণার টোপ। ফাঁদে পা দিয়ে অগ্রিম হিসাবে ৫০ লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু টাকা পৌঁছতেই উধাও হয়ে যায় ‘দালাল’। টিএমটি বার আসেনি। ফেরত মেলেনি টাকাও। তদন্তে নেমে শেষ পর্যন্ত পাঁশকুড়া থেকে প্রতারণা চক্রের মূল চক্রীকে গ্রেপ্তার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার থানার পুলিশ।
ধৃতের নাম স্নেহাশিস মান্না ওরফে নেত্র (২৫)। বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার দক্ষিণ মেচগ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগকারী অনলাইনে পাওয়া একটি মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেন। সেই ফোন কলে নিজেকে টিএমটি বার সরবরাহের দালাল হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল অভিযুক্ত স্নেহাশিস। অভিযুক্তের কথায় বিশ্বাস করে তার দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫০ লক্ষ টাকা অগ্রিম পাঠান অভিযোগকারী। এরপরই শুরু হয় টালবাহানা। শেষ পর্যন্ত নির্মাণসামগ্রী না পেয়ে এবং টাকা ফেরত না পেয়ে সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। টাকা কোন অ্যাকাউন্টে গিয়েছে, সেই সূত্র ধরে এগতে থাকেন তদন্তকারীরা। এরপর পাঁশকুড়া থানার পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে স্নেহাশিসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ২০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, ১৭টি ডেবিট কার্ড, দু’টি সিম কার্ড, একটি মোবাইল ফোন সহ আরও কিছু ইলেকট্রনিক সামগ্রী। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তের একটি অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়া হয়েছে।