Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দিল্লির ম্যাঙ্গো মেলায় ৫ টন আম যাচ্ছে মুর্শিদাবাদ থেকে

দিল্লির ম্যাঙ্গো মেলায় ৫ টন আম যাচ্ছে মুর্শিদাবাদ থেকে
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: রাজধানীর ম্যাঙ্গো মেলায় মুর্শিদাবাদ থেকে চার প্রজাতির ৫ টন আম যাচ্ছে। উদ্যানপালন দপ্তরের উদ্যোগে আগামী ২৪ জুন থেকে দিল্লির জনপথে বসছে ম্যাঙ্গো মেলা। ১৫ দিনের মেলা চলবে ৮ জুন পর্যন্ত। মুর্শিদাবাদ থেকে আম নিয়ে চাষিরা ২২ জুন দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। আম চাষিদের আক্ষেপ, মুর্শিদাবাদে শতাধিক প্রজাতির আম ফলে। বহু প্রজাতির আম শেষ লগ্নে। আগে মেলা হলে মুর্শিদাবাদের জনপ্রিয়, সুস্বাদু আম মেলায় নিয়ে যাওয়া যেত। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর প্রিয়াংশু সন্নিগ্রাহী বলেন, মুর্শিদাবাদের সেরা প্রজাতির আম রাজধানীর ম্যাঙ্গো মেলায় ডিসপ্লে করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আশাকরি আমরা শীর্ষস্থানে আসতে পারব। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করার পরই সেখানে আম বাগান গড়ে উঠতে শুরু করে। নবাবের ইচ্ছেতেই মুর্শিদাবাদে আম চাষের গোড়াপত্তন। মুর্শিদকুলি খাঁর পরবর্তী নবাবরাও আম চাষের ঐতিহ্য বহন করে গিয়েছেন। নবাবি অমলে আমের সংরক্ষণশালাও তৈরি করা হয়েছিল। নবাবপছন্দ, বেগমপসন্দ ইত্যাদি বহু প্রজাতির আমের পাশাপাশি চম্পা, রানিপসন্দ, মোলামজাম, জগন্নাথভোগ, হিমসাগর (সাদৌল্লা), লক্ষ্মণভোগ সহ শতাধিক প্রজাতির আম রয়েছে। তবে এখন জুনের মাঝামাঝি অধিকাংশ প্রজাতির আমের ফলনই শেষের দিকে। বহু প্রজাতির আমগাছ ইতিমধ্যে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে দিল্লিতে ম্যাঙ্গো মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিবারই মুর্শিদাবাদ অংশগ্রহণ করেছে। এবারের দিল্লির ম্যাঙ্গো মেলায় মুর্শিদাবাদ থেকে হিমসাগর, রাখালভোগ, আম্রপালি ও ল্যাংড়া প্রজাতির আম যাচ্ছে। নওদা ব্লকের পরেশনাথপুরের আম চাষি সুজয় মণ্ডল বলেন, শিলিগুড়ির সিটি সেন্টারের আম মেলায় আমরা প্রথম হয়েছি। নওদাতেই প্রায় ৪০ প্রজাতির আমের ফলন হয়। আমাদের আক্ষেপ, দিল্লিতে জুনের শেষে মেলা হওয়ায় অনেক প্রজাতির আম নিয়ে যেতে পারছি না। নওদা ব্লকের রঘুনাথপুরের আমচাষি অসিত মণ্ডল বলেন, দিল্লির মেলায় উত্তরপ্রদেশের ল্যাংড়া আসে। মানুষ উত্তরপ্রদেশের ল্যাংড়ার দিকে বেশি নজর দেন। তবে আমাদের হিমসাগর, লক্ষ্মণভোগ, আম্রপালি বাজার মাত করে। সিদ্ধান্ত মণ্ডল বলেন, আমার বিশ্বাস জুনের প্রথম সপ্তাহে মেলা হলে মুর্শিদাবাদের স্টল থেকে কেউ চোখ ঘোরাতে পারতেন না।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ