Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেআইনি কল সেন্টারের আড়ালে চলত প্রতারণা চক্র, শহরে ধৃত ৫

কলকাতায় কলসেন্টারের নামে প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল বারাকপুর কমিশনারেট। বুধবার রাতে হেয়ার স্ট্রিট থানা এলাকার আর এন মুখার্জি রোডে ওই কল সেন্টারে হানা দেন কমিশনারেটের সাইবার থানার বিশেষ টিম।

বেআইনি কল সেন্টারের আড়ালে চলত প্রতারণা চক্র, শহরে ধৃত ৫
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: কলকাতায় কলসেন্টারের নামে প্রতারণা চক্রের পর্দা ফাঁস করল বারাকপুর কমিশনারেট। বুধবার রাতে হেয়ার স্ট্রিট থানা এলাকার আর এন মুখার্জি রোডে ওই কল সেন্টারে হানা দেন কমিশনারেটের সাইবার থানার বিশেষ টিম। সেখান থেকে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার পাঁচ প্রতারককে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তদন্তকারীরা ৫৬টি কি-প্যাড ফোন, ১৫টি স্মার্টফোন, একটি ল্যাপটপ সহ নানা ভুয়ো নথি উদ্ধার করেছেন। ধৃতদের এদিন আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর দমদমের এক বৃদ্ধ থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া ইনস্যুরেন্স নতুন করে চালু করে দেওয়ার টোপ দিয়ে দফায় দফায় তাঁর কাছ থেকে প্রতারকরা ২২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল। পরে এই ঘটনার তদন্তভার সাইবার ক্রাইম থানার হাতে যায়। বুধবার রাতে তদন্তকারী আধিকারিকদের বিশেষ টিম ওই কল সেন্টারে হানা দেন। পুলিস জানিয়েছে, ওই কল সেন্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অলক সরকার, সৌভিক বণিক, শ্রীকান্ত ভগৎ, প্রীতম দাস ও গোবিন্দ বিশ্বাসকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিস জেনেছে, অভিযুক্তরা মূলত বন্ধ হয়ে যাওয়া ইনস্যুরেন্স পলিসি খুঁজে বের করে ক্রেতাদের ফোন করত। কনজিউমার ফোরামের আধিকারিক ও সরকারি অফিসার হিসেবে পরিচয় দিত তারা। এরপর রিনিউয়ালের ফি ও প্রসেসিং ফি’র নাম করে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিত। ধৃতরা কতদিন ধরে এই চক্র চালাচ্ছে, কতজনের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তা পুলিস খতিয়ে দেখছে। কমিশনারেটের ডিসি (ডিডি) তথা সাইবার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক চারু শর্মা বলেন, ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে। এই চক্রে আর কারা যুক্ত, কতজন প্রতারণার শিকার হয়েছেন, সব তথ্যই জানার চেষ্টা চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ