সংবাদদাতা, বহরমপুর: রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির উদ্যোগে বহরমপুরে রাজ্য স্তরের ৪৩ তম ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির নিজস্ব ইনডোর মাঠে শনিবার থেকে প্রতিযোগিতার আসর বসেছে।
সংবাদদাতা, বহরমপুর: রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির উদ্যোগে বহরমপুরে রাজ্য স্তরের ৪৩ তম ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির নিজস্ব ইনডোর মাঠে শনিবার থেকে প্রতিযোগিতার আসর বসেছে।
সোমবার বালক ও বালিকার চারটি বিভাগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অনূর্ধ্ব ১৫ ও অনূর্ধ্ব ১৭ বিভাগের শাতাধিক প্রতিযোগী এবারের খেলায় অংশ নিয়েছে। রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির সম্পাদক সুখময় ঘোষ বলেন, ৪৩ বছর ধরে আমরা এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছি। ৪ থেকে ১০ এপ্রিল জেলা স্তরের প্রতিযোগিতা হয়েছে। ১২, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল তিনদিন ধরে রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতা চলছে।
বালক ও বালিকাদের চারটি বিভাগের ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগিতার আসর বসেছে বহরমপুরে। উত্তর এবং দক্ষিণ বঙ্গের সব জেলা থেকেই প্রতিযোগীরা এসেছে। তবে দুই ২৪ পরগণা ও হাওড়া থেকে সব থেকে বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে। বেলঘড়িয়া থেকে মায়ের সঙ্গে অনূর্ধ্ব ১৫ সিঙ্গল বিভাগে অংশ নিয়েছে পৌষালি মণ্ডল। নবম শ্রেণির পৌষালি বলে, তিনবছর এখানে আসছি। একবার কোয়াটারে খেলেছি।
এবার ফাইনাল খেলতে পারব আশা করি। পৌষালির মা রুমা মণ্ডল বলেন, এখানের ব্যবস্থাপনা খুবই ভালো। রাজ্যে এতভালো প্রতযোগিরা আসর দেখিনি। কলকাতার বাসিন্দা রমিত দাসগুপ্তের বাবা রাজীব দাসগুপ্ত বলেন, প্রত্যেক প্রতিযোগী ও অভিভাবকদের উপর কর্তৃপক্ষ সারাক্ষণ নজর রাখছেন। এখানে পৌঁছে থাকা খাওয়া নিয়ে কোন চিন্তা করতে হচ্ছে না।
রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতির অন্যতম সদস্য দেবব্রত ঘোষ ওরফে অল্টু বলেন, বিভিন্ন জেলা থেকে অভিভাবক অভিভাবিকারা আমাদের উপর ভরষা করেই ছেলে মেয়েদের আনছেন। আমরাও তাঁদের খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। তারজন্যই প্রতিবছর প্রতিযোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
ব্যায়াম সমিতির ইন্ডোর মাঠে শনিবার সকাল থেকেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সোমবার সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল খেলা হবে। সুষ্ঠুভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করতে সহিযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন রাজীব মণ্ডল, রজত দাস, সাত্বকী ইমামরা। সাত্বকী ইমাম বলেন, রাজ্য স্তরের ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগিতা মুর্শিদাবাদের ঐতিহ্য। রামকৃষ্ণ ব্যায়াম সমিতি ধারাবাহিকভাবে এই ঐতিহ্য গর্বের সঙ্গে বহন করে আসছে। অভিভাবক, অভিভাবিকা ও প্রতিযোগীদের দু’বেলা খাওয়ার ও টিফিনের ব্যবস্থা উদ্যোক্তারাই করেছেন। -নিজস্ব চিত্র