Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৩৬ ঘণ্টা পার, পানীয় জল পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্ষোভ এলাকায়

টানা ৩৬ ঘণ্টার বেশি শুখা রইল উলুবেড়িয়া শহর। পাইপলাইনে মেরামতির কাজের জন্য বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পানীয় জলের পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা আগেই জানিয়েছিল পুরসভা।

৩৬ ঘণ্টা পার, পানীয় জল পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় ক্ষোভ এলাকায়
  • ১০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: টানা ৩৬ ঘণ্টার বেশি শুখা রইল উলুবেড়িয়া শহর। পাইপলাইনে মেরামতির কাজের জন্য বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পানীয় জলের পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা আগেই জানিয়েছিল পুরসভা। কিন্তু এদিন সন্ধ্যার পরেও পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি যা, তাতে শনিবার সকালের আগে জল আসার সম্ভাবনা কম। 

Advertisement

এদিন সন্ধ্যার পর রাজ্যের মন্ত্রী পুলক রায় গোরুহাটা বাজারের কাছে মেরামতির কাজ পরিদর্শন করেন। এদিকে, এই গরমে জল না পাওয়ায় স্বভাবতই ক্ষুব্ধ শহরবাসী। পুরসভার দাবি, পাইপলাইন মেরামতির কাজ শেষ হয়ে গেলেও জল ছাড়ার মুখে লক্ষ্য করা যায়, পাইপের অন্য একটি অংশে ফাটল রয়েছে। সেই ফাটল মেরামত করে রাতের মধ্যেই পানীয় জলের পরিষেবা চালু করা হবে। উলুবেড়িয়া পুর এলাকায় দিনে তিনবার— সকাল, দুপুর, বিকেলে জল দেয় পুরসভা। সম্প্রতি উলুবেড়িয়ার গোরুহাটা ব্রিজের কাছে ৮০০ ডায়ার পাইপে ফাটল দেখা দেয়। সেই পাইপ মেরামতের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে পুর এলাকায় জল পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। ঠিক ছিল, শুক্রবার দুপুরের পর জল পরিষেবা স্বাভাবিক হবে। অর্থাৎ নাগরিকরা বিকেল থেকে জল পাবেন। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামলেও জল না মেলায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তাঁদের বক্তব্য, পুরসভার পানীয় জলের উপরেই আমাদের নির্ভর করতে হয়। পুরসভার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আমরা কোনওমতে ২৪ ঘণ্টা জল ছাড়া কাটিয়েছি। কিন্তু তারপর প্রায় ১২ ঘণ্টা কাটতে চললেও জল আসেনি। এই জলকষ্টের জন্য তাঁরা পুরসভার জল দপ্তরের আধিকারিকদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, পাইপলাইন ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ হওয়ার কারণেই সাধারণ মানুষকে এই গরমের মধ্যে হয়রানি হতে হচ্ছে। উলুবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান অভয় দাস এবং জল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল আকবর শেখ বলেন, পাইপলাইনে নতুন করে ফাটল দেখা দেওয়ায় সময়মতো জল পরিষেবা স্বাভাবিক করা যায়নি। জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের কাজ চলছে। মেরামতের কাজ শেষ হলেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ