নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নাকা চেকিং চলাকালীন মঙ্গলবার ভোরে অশোকনগর থানার পুলিস আগ্নেয়াস্ত্র ও গাঁজা পাচারের বড় চক্রের হদিশ পেল। সাতজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তিনটি পাইপগান, চার রাউন্ড গুলি ও ৩১ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। পাচারে ব্যবহৃত একটি গাড়িও পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। ধৃতদের নাম সৈয়দ সহিদুল ইসলাম, আব্দুল বারিক খান, রফিক আলি, গুলজার মহম্মদ, দীনবন্ধু মণ্ডল, রুস্তম খান ও অসীমকুমার দাস। তাদের এদিন বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে পুলিস অশোকনগরের ভুরকুণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘিরহাট কচুয়া রোডের ম্যানার মাঠ সংলগ্ন এলাকায় নাকা চেকিং করছিল। তখনই সাদা রংয়ের একটি চারচাকা গাড়ির গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় পুলিসের। গাড়িতে চালক সহ ছ’জন ছিল। তল্লাশি চালানোর সময় সিটের নীচ থেকে একটি বস্তা ভর্তি গাঁজা উদ্ধার হয়। পুলিস জানিয়েছে, বস্তায় ৩১ কেজি গাঁজা ছিল। গাড়ির আরোহীদের কাছ থেকে দু’টি পাইপগান সহ চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। পাচারের কাজে ব্যবহৃত গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহার। বাকিদের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার, তিলজলা ও অশোকনগর। কোথা থেকে ওই গাঁজা ও অস্ত্র আনা হয়েছিল, কোথায় পাচারের ছক ছিল ধৃতদের জেরা করে পুলিস তা খতিয়ে দেখছে। এদিকে সোমবার রাতেই অশোকনগর থানার পুলিস অপর একটি ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র সহ আরও এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম অসীমকুমার দাস। অশোকনগরের হিজলিয়া মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একটি পাইপগান উদ্ধার হয়েছে। বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার অতীশ বিশ্বাস বলেন, অস্ত্র ও মাদক মামলায় সাত দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার হয়েছে।