সংবাদদাতা, বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় পৃথক পথ দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গলসি থানার ডালিমগড়িয়া গ্রামে ট্রাক্টরের ধাক্কায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মুক্তরাম রানা(৬৭)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি ট্রাক্টর তাঁকে ধাক্কা মারে। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বর্ধমান থানার ফাগুপুরে জাতীয় সড়কে পথ দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম শেখ রিটন(৩৩)। ভাতার থানার বালসিডাঙায় তাঁর বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে চারচাকা গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে ফাগুপুরের কাছে তাঁর গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। গুরুতর জখম অবস্থায় পুলিস তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
গলসি থানার কোলকোল গ্রামে গাড়ির ধাক্কায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম ইমরান আলি শেখ(১৭)। গলসি থানার ভীমসারায় তার বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় কোলকোলের কাছে জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।অশান্তির জেরে আত্মঘাতী: গলসি থানার কৈতাড়া গ্রামে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তির কারণে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন এক ব্যক্তি। মৃতের নাম স্বপন মাঝি(৪৫)। কৈতাড়া গ্রামেই তাঁর বাড়ি। দিনকয়েক আগে বাগানবাড়িতে তিনি কীটনশাক খান। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পেয়ে তাঁকে আদরাহাটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার ভোরে তিনি মারা যান। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানা।
কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী: জামালপুর থানার উত্তরসুরা গ্রামে কীটনাশক খেয়ে এক ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের নাম সুজন বিশ্বাস(৩৮)। শনিবার দুপুরে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে জামালপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিষ্কারভাবে কিছু জানাতে পারেননি পরিবারের লোকজন।