সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: হরিণ মেরে সেটির মাংস দিয়ে ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাই চলছিল মাংস রান্না। সেসময় বনদপ্তর হাতেনাতে তিনজনকে পাকড়াও করে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের রায়ডাক গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়ডাক চা বাগানের ৪ নম্বর লাইনে।
সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: হরিণ মেরে সেটির মাংস দিয়ে ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। তাই চলছিল মাংস রান্না। সেসময় বনদপ্তর হাতেনাতে তিনজনকে পাকড়াও করে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের রায়ডাক গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়ডাক চা বাগানের ৪ নম্বর লাইনে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, ধৃতদের নাম কুশল কিশপোট্টা, এটরেন মিঞ্জ ও অনিল টোপ্পো। বনদপ্তরের উত্তর রায়ডাক রেঞ্জের বনকর্মীরা গোপন সূত্র মারফত জানতে পারেন, রায়ডাক বাগানের ৪ নম্বর লাইনে হরিণের মাংস রান্না করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে বনকর্মীরা ওই এলাকায় অভিযান চালান। সেসময় হরিণের মাংস রান্নার কাজ চলছিল। তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বনকর্মীরা। তাদের কাছ থেকে হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও হরিণের চামড়া উদ্ধার হয়েছে বলে বনদপ্তর জানিয়েছে।
ঘটনার খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় রায়ডাক চা বাগান এলাকায়। সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে হরিণ শিকার করে ওই তিনজন মাংস রান্না করে ভোজের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু বনদপ্তরের অভিযানে তা ভেস্তে যায়। ধৃত তিনজনের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ১৯৭২ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বক্সার জঙ্গলে বন্যপ্রাণী শিকারে দুষ্কৃতীরা যে এখনও সক্রিয় রয়েছে, এই ঘটনা তাই প্রমাণ করে। যদিও বনদপ্তর জানিয়েছে, সারা বছর বিভিন্ন চা বাগান ও বনবস্তির মানুষকে সচেতন করার কাজ করা হয় তাঁরা যেন বন্যপ্রাণী হত্যা না করেন। এর সুফল হিসেবে বন্যপ্রাণী হত্যা আগের থেকে অনেক কমেছে বলে বনদপ্তরের দাবি।
বনদপ্তরের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পূর্ব বিভাগের উপক্ষেত্র অধিকর্তা দেবাশিস শর্মা বলেন, রায়ডাক চা বাগানে হরিণের মাংস রান্না করার সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হরিণের চামড়া, মাংস সহ অন্যান্য নমুনা জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কলকাতার অফিসে পাঠানো হবে।