Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলাদেশি ট্রলার সহ ২৮ মৎস্যজীবী আটক

আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘন করার অভিযোগে একটি বাংলাদেশি ট্রলারকে আটক করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ওই ট্রলারে মোট ২৮ জন মৎস্যজীবী ছিলেন।

বাংলাদেশি ট্রলার সহ ২৮ মৎস্যজীবী আটক
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘন করার অভিযোগে একটি বাংলাদেশি ট্রলারকে আটক করল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। ওই ট্রলারে মোট ২৮ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। সোমবার সকালে ট্রলার সহ মৎস্যজীবীদের ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ভারতীয় জলসীমায় উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি জাহাজ টহল দিচ্ছিল। সেই সময় এফবি সাগর নামক একটি ট্রলার সন্দেহজনকভাবে সেখানে ঘোরাফেরা করছিল। তখন উপকূলরক্ষী বাহিনী ওই ট্রলারটিকে থামিয়ে মৎস্যজীবীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ট্রলারটিতে তল্লাশিও চালায়। তাতে ওই মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে বাংলাদেশের নথিপত্র উদ্ধার হয়। এরপরই ট্রলার সহ তাঁদের আটক করা হয়। পরে ট্রলার ও আটক হওয়া মৎস্যজীবীদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

তবে ওই ট্রলারে থাকা এক মৎস্যজীবীকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ ওই রবীন্দ্রনাথ দাস নামে ওই মৎস্যজীবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ ও ভারত– দুই দেশেরই পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মৎস্যজীবীর কাছে বাংলাদেশের একটি পাসপোর্ট রয়েছে। তবে তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও ভারতের একটি আধার কার্ড তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। ওই মৎস্যজীবীও দুই দেশের নথি থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ওই ট্রলারে থাকা বাকি মৎস্যজীবীরাও রবীন্দ্রনাথের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে রবীন্দ্রনাথ এই ট্রলারে উঠেছিলেন। তাঁকে ভারতের একটি ট্রলারে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো তাঁদের সঙ্গে চুক্তিও হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই উপকূলরক্ষী বাহিনী ট্রলারটিকে আটক করে নেয়। তবে পুলিশ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। রবীন্দ্রনাথকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আসলে কোন দেশের নাগরিক, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও এই দেশে তাঁর ভোটার কার্ডও রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ