Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাগরমেলার জন্য জাতীয় সড়কে ২২ পুলিশ বুথ, ড্রোনে নজরদারি

গঙ্গাসাগর মেলায় যেতে হলে পুণ্যার্থীদের ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরোতে হবে।

সাগরমেলার জন্য জাতীয় সড়কে ২২ পুলিশ বুথ, ড্রোনে নজরদারি
  • ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গঙ্গাসাগর মেলায় যেতে হলে পুণ্যার্থীদের ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পেরোতে হবে। এই সময় ওই রাস্তা সচল রাখতে এবং পুণ্যার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করল ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলা। জানা গিয়েছে, বাড়তি পুলিশকর্মী মোতায়েনের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুলিশ বুথ বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে তারা। জাতীয় সড়কের উপর যেসব জায়গায় বাফার জোন করা হয়েছে, সেখানে ড্রোনের মাধ্যমে চলবে নজরদারি। পুলিশ সূত্রে খবর, পৈলান থেকে হটুগঞ্জ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় ২২টি অস্থায়ী পুলিশ বুথ বসানো হয়েছে। পুণ্যার্থীদের যে কোনও প্রয়োজনে এখান থেকে সাহায্য করা হবে। সব মিলিয়ে নজরদারির জন্য থাকবে ৬০০ প্রশিক্ষিত অস্থায়ী হোমগার্ড, সিভিক ভলান্টিয়ার এবং অন্যান্য জেলা থেকে আসা একাধিক পুলিশকর্মী। যানজট প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত আমতলা, খড়িবেড়িয়া এবং নেতড়া মোড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে গোটা রাস্তায় রাখা হবে সাতটি ব্রেক ডাউন ভ্যান। কোনও গাড়ি খারাপ হলে যাতে সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে সরিয়ে ফেলা যায়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা। গঙ্গসাগর মেলা পর্যন্ত জাতীয় সড়কের উপর হকারদের বসতে নিষেধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে বেআইনি পার্কিং বা অটো স্ট্যান্ডও রাখা যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে যেসব জায়গায় এমন দখলদারি ছিল, সেগুলি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

Advertisement

জাতীয় সড়কের উপর বেশ কিছু জায়গায় আলো নেই। উস্তি রোড, খড়িবেড়িয়া থেকে বিষ্ণুপুর থানা, শিরাকল থেকে কপাটহাট, ফলতার একটি বড় অংশ এবং বঙ্গনগর— এইসব এলাকায় স্ট্রিট লাইটের বন্দোবস্ত নেই। এইসব জায়গায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে রাতে যান চলাচল ও পুণ্যার্থীদের যাওয়া আসায় কোনও অসুবিধা না হয়। এছাড়াও জাতীয় সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ওয়াচ টাওয়ার করা হয়েছে। দিনে এবং রাতে পর্যাপ্ত পুলিশকর্মীর মাধ্যমে নজরদারি চালানোই লক্ষ্য পুলিশের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ