Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

মুম্বইয়ে ট্রেনে বিস্ফোরণ: প্রমাণের অভাবে দোষী ১২ জনকে বেকসুর খালাস করল হাইকোর্ট

২০০৬ সালের ১১ জুলাই। জঙ্গি টার্গেটে রক্তাক্ত হয় মুম্বইয়ের লাইফলাইন লোকাল ট্রেন। দিনের ব্যস্ততম সময়ে মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে পরপর সাতটি বিস্ফোরণে ঘটে বিভিন্ন লোকাল ট্রেনে।

মুম্বইয়ে ট্রেনে বিস্ফোরণ: প্রমাণের অভাবে দোষী ১২ জনকে বেকসুর খালাস করল হাইকোর্ট
  • ২১ জুলাই, ২০২৫ ১৩:০৭
Prefer us on Google

মুম্বই: ২০০৬ সালের ১১ জুলাই। জঙ্গি টার্গেটে রক্তাক্ত হয় মুম্বইয়ের লাইফলাইন লোকাল ট্রেন। দিনের ব্যস্ততম সময়ে মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে পরপর সাতটি বিস্ফোরণে ঘটে বিভিন্ন লোকাল ট্রেনে। তাতে প্রাণ যায় মোট ১৮৯ জন নিরীহ মানুষের। ৮০০ জনের বেশি আহত হন। ভারতের ইতিহাসে ভয়াবহতম এই জঙ্গি হামলায় দোষী সাব্যস্ত ১২ জনকে সোমবার বেকসুর খালাস করে দিল বম্বে হাইকোর্ট। তাঁদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত প্রমাণের অভাব রয়েছে বলে আদালত জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ট্রেনে বিস্ফোরণে দোষী সাব্যস্ত ১২ জনের মধ্যে পাঁচ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল নিম্ন আদালত।

Advertisement

বিচারপতি অনীল কিলোর এবং শ্যাম চন্দকের বিশেষ বেঞ্চ এদিন রায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে শোনায়। পর্যবেক্ষণে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের গুরুতর ত্রুটিগুলি তুলে ধরেছে আদালতে। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চের মতে, এই মামলার মূল সাক্ষীরা নির্ভরযোগ্য ছিলেন না। প্রশ্নবিদ্ধ অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের প্যারেড। তাছাড়া নির্যাতন চালিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, ‘আসামি পক্ষ শনাক্তকরণ প্যারেড নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল। অনেক সাক্ষী দীর্ঘ সময় নীরব ছিলেন। অনেকে চার বছরেরও বেশি সময় একটি কথাও বলেননি। তারপর হঠাৎ করে অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। এটি অস্বাভাবিক।’

২০০৬ সালের ১১ জুলাই  প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরায়। এর পরে আরও ছটি। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ২০১৫ সালে নিম্ন আদালত মোট ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। এর মধ্যে ফয়জল শেখ, আসিফ খান, কমল আনসারি, ইথশাম সিদ্দিকি এবং নভেদ খানের মৃত্যুদণ্ড হয়। বাকি সাত জনের আজীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দোষিরা। তাঁদের মধ্যে একজনের কোভিডের সময় সাজা ভোগের সময় মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ