Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দত্তপুকুরে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে অবশেষে ধৃত ২

দত্তপুকুরে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল কর্মী দাদা-ভাইকে গ্রেপ্তার করল দত্তপুকুর থানার পুলিশ। ধৃতরা হল শাকিব রহমান ও তার দাদা শাহিন রহমান।

দত্তপুকুরে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে অবশেষে ধৃত ২
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দত্তপুকুরে দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল কর্মী দাদা-ভাইকে গ্রেপ্তার করল দত্তপুকুর থানার পুলিশ। ধৃতরা হল শাকিব রহমান ও তার দাদা শাহিন রহমান। তারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। রবিবার তাদের বারাসত আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। এদিন জেসিবি দিয়ে পরপর সাতটি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় সকাল থেকেই ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বামনগাছির ফুলতলা এলাকায় ছিল সাতটি দোকান। জমির ‘দালাল’ বলে পরিচিত শাকিবদের সেই জমিটিতে নজর পড়ে। জমির মালিক তানজিলা বিবি ও তাঁর পরিবার। তাঁরা শাকিবকে এই জায়গা বিক্রি করতে রাজি হননি বলে অভিযোগ। তাই নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে শাকিবরা সাতটি দোকান রাতারাতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের। ঘটনার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এনিয়ে শাকিব রহমানের নামে দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তানজিলা বিবির পরিবার। তিনদিন কেটে গেলেও শাকিব রহমান গ্রেপ্তার হননি। তাই শনিবার ফুলতলা এলাকায় রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশি উদাসীনতার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি বারাসত ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কনভেনার ইছা হক সর্দার ও ছোট জাগুলিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নুরুল হকের বিরুদ্ধেও শ্লোগান ওঠে। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, অভিযুক্তরা এই দুই নেতার অনুগামী হওয়াতেই ছাড় পেয়ে যাচ্ছে। আধঘণ্টা ধরে অবরোধ চলার পর ঘটনাস্থলে আসে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। তখন পুলিশকে ঘিরে ধরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মানুষ। এরপর নড়েচড়ে বসে দত্তপুকুর থানা। পুলিশ জানিয়েছে, দোকান ভাঙায় অভিযুক্ত শাকিব ও তার দাদা শাহিনকে শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয় বারাসত থেকে। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক ছিল।  ধৃত শাকিব রহমান (ফাইল চিত্র)

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ