সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুরের মদারাট পঞ্চায়েতের টগরবেড়িয়ার সোনারপুরের যুবক শুভঙ্কর মণ্ডলকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় দুই অভিযুক্ত রাকেশ মণ্ডল ও অরূপ পাটালি এখনও অধরা। তাঁদের খোঁজে বারুইপুর থানার পুলিস জোরদার তল্লাশি চালাচ্ছে। এদিকে, আর এক অভিযুক্ত জগবন্ধু মণ্ডলকে রবিবার থানায় আটক করে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চলে। পরে রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারী অফিসার আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুত ধরা পড়বে বাকি অভিযুক্তরা। নিহত যুবক শুভঙ্করের পেটে কে ছুরি চালিয়েছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিস। ধৃত জগবন্ধু এই ছুরি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। কিন্তু তাঁর সঙ্গীদের মধ্যে কে মেরেছে, এই প্রশ্নে এখনও জগবন্ধু চুপ। তদন্তকারী অফিসার আবার জিজ্ঞাসাবাদ চালাবেন। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, পুলিস তাও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সোনারপুরের নিহত যুবক শুভঙ্কর মণ্ডল তাঁর বন্ধু দীপু মণ্ডলের সঙ্গে আগেও বারুইপুরের টগরবেড়িয়ায় এসেছিলেন। কারণ, এই এলাকায় দীপুর মাসির বাড়ি। অন্যদিকে, সোমবারও টগরবেরিয়া এলাকার বাসিন্দারা এলাকায় মদ, গাঁজা কাওয়া নিয়ে প্রতিবাদে সরব হন। তাঁরা বলেন, সন্ধ্যার পর থেকেই পাড়ায় মাচায় বসে গাঁজা সেবন, মদ্যপান চলে নিয়মিত। প্রতিবাদ করলেও কাজ হয়নি। উল্টে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, টগরবেড়িয়া থেকে কাঁটাপুকুর যাওয়ার রাস্তায় সন্ধ্যার পর থেকেই মদ, গাঁজা খাওয়া শুরু হয়ে যায়। এমনকী, কাটাখাল থেকে বেগমপুর ও আটঘড়া সর্দাপাড়ার যাওয়ার রাস্তাতেও রাতে এমন আসর বসে। এলাকার কয়েকজন এই কাজের সঙ্গে জড়িত। পুলিসের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে অবিলম্বে এই কাজের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিসের দাবি, এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।



