Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভাড়াবাড়িতে চলছে ১৯ হাজার আইসিডিএস, নিজস্ব ভবন গড়তে কেন্দ্র পিছু ১২ লক্ষ

ভাড়াবাড়ি নয়, নিজস্ব বাড়িতেই চলবে আইসিডিএস কেন্দ্র। বর্তমানে ভাড়াবাড়িতে চলে, রাজ্যে এমন আইসিডিএস কেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার।

ভাড়াবাড়িতে চলছে ১৯ হাজার আইসিডিএস, নিজস্ব ভবন গড়তে কেন্দ্র পিছু ১২ লক্ষ
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর ও দক্ষিন ২৪ পরগনা: ভাড়াবাড়ি নয়, নিজস্ব বাড়িতেই চলবে আইসিডিএস কেন্দ্র। বর্তমানে ভাড়াবাড়িতে চলে, রাজ্যে এমন আইসিডিএস কেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার।  এসব কেন্দ্রের নিজস্ব বাড়ি তৈরি করতে কেন্দ্র পিছু বরাদ্দ হচ্ছে ১২ লক্ষ টাকা করে। দ্রুত নতুন আইসিডিএস কেন্দ্র গড়ার কাজ শুরু হবে। সোমবার পানিহাটির লোকসংস্কৃতি ভবনে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ কর্মসূচিতে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র সংক্রান্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি আইসিডিএসের জন্য নিজস্ব ভবন তৈরি হবেই। কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি আইসিডিএস সেন্টারে আমরা বিনামূল্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেব।’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘পরাজয় থেকে শিক্ষা নিন। মানুষের রায়কে উপলব্ধি করুন।’

Advertisement

এদিনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বিরোধীদের কটাক্ষ ছুড়ে দেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের আবহে তিনি বলেন, ‘তামিলনাড়ু বা কেরলে জিতলে কমিশনের কথা মনে পড়ে না। পশ্চিমবঙ্গ, অসম বা উত্তরপ্রদেশে বিজেপি জিতলেই কমিশন ও ইভিএমকে দায়ী করা হয়।’ এদিন সকালে গঙ্গাসাগরে স্নান করে কপিল মুনির মন্দিরে পূজো দেন বিজেপি সভাপতি। সকাল ১০টা নাগাদ তিনি হেলিকপ্টারে গঙ্গাসাগরে পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল। নীতিন বলেন, ‘গঙ্গাসাগরের তটে গঙ্গা যাত্রা ও জাতীয় মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। সরকার এই বিষয়ে দ্রুত এগোবে।’
এরপর দুপুরে পানিহাটির ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও বিধায়কের পাশাপাশি দলের রাজ্য সভাপতি ও পদাধিকারীরা হাজির ছিলেন। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘আগস্ট মাস থেকে আপনাদের সবার বেতন ৫ হাজার টাকা বাড়িয়েছি। শিশুদের খাবারের জন্য কেন্দ্রের ৮ টাকার সঙ্গে রাজ্যের আরও ২ টাকা যোগ করে মোট বরাদ্দ ১০ টাকা করেছি। প্রসূতি মায়েদের জন্য বরাদ্দও ১২ টাকা থেকে বেড়ে ১৪ টাকা হয়েছে।’ -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ