Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬

‘সিবিআইকেও টেক্কা দিয়েছে ১৮ বছরের সার্থকরা’ সিবিএসই বিতর্কে কেন্দ্রকে কটাক্ষ রাহুলের

সিবিএসই-র গাফিলতি নিয়ে রাহুল গান্ধীর কটাক্ষ। ১৮ বছরের সার্থকরা সিবিআইকেও টেক্কা দিয়েছে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? বিস্তারিত পড়ুন।

‘সিবিআইকেও টেক্কা দিয়েছে ১৮ বছরের সার্থকরা’ সিবিএসই বিতর্কে কেন্দ্রকে কটাক্ষ রাহুলের
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে সিবিএসই-র উত্তরপত্র মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে একাধিক গাফিলতি সামনে এসেছে। তোলপাড় গোটা দেশ। এনিয়ে আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তারপরও সেই অসুরক্ষিত সংস্থা কোয়েমপ্টকেই পুনর্মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিতর্ক চরমে। সিবিএসই ও কোয়েম্পটের আঁতাত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর এই গাফিলতি চোখে আঙুল দিয়ে যারা দেখিয়েছে, এবার সেই তরুণদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, ১৮ বছরের সার্থক সিদ্ধান্ত ও তার বন্ধু নিসর্গ রীতিমতো চমকে দিয়েছে। দেশের একাধিক সংস্থা, কেন্দ্রীয় এজেন্সি সিবিআই যা পারেনি, সেটাই করে দেখিয়েছে তারা। সিবিআইকেও টেক্কা দিয়েছে। তাদের এই প্রচেষ্টা দেশের যুবসমাজের জয় আর বর্তমান সরকারের শোচনীয় পরাজয়।

Advertisement

রবিবার এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন রাহুল গান্ধী। সেখানে দেখা গিয়েছে, সিবিএসই-র গাফিলতি নিয়ে সার্থকের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করছেন তিনি। কংগ্রেস সাংসদের বক্তব্য, ‘সার্থকের বয়স মাত্র ১৮ বছর। কিন্তু চিন্তাভাবনা, সাহস, নীতির বিষয়ে ও অনেকটা এগিয়ে। দেশের বড়ো বড়ো সংবাদমাধ্যম, তদন্তকারী সাংবাদিক, কেন্দ্রীয় এজেন্সি, সিবিআই যা পারেনি, সার্থক-নিসর্গরা তা করে দেখিয়েছে। সিবিএসই ও কোয়েম্পটের যোগসাজশ গোটা দেশের সামনে এনেছে। আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান, দেশের তরুণ-তরুণীরা রিল তৈরিতে ব্যস্ত থাকুক। তেলেভাজার ব্যবসা করুক। ওরা যেন প্রশ্ন না করে। চোখ-কান খোলা না রাখে। কিন্তু এই পড়ুয়ারা সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করে প্রশ্ন করেছে। নিজেরাই তার উত্তর খুঁজে বের করেছে। এটাই ভারতের যুবসমাজ। মাথায় রাখবেন, এরা কিন্তু কোনো ছলনায় পা দেবে না।
সিবিএসই-র তরফে জানানো হয়েছে, ৭ জুন রবিবার পুনর্মূল্যায়নের শেষদিন। এনিয়েও আক্রমণ শানিয়েছে সার্থক। তাঁর বক্তব্য— এই সপ্তাহে আমি আপনাদের মুখোশ খুলতে ব্যস্ত ছিলাম। তাই দয়া করে পুনর্মূ্ল্যায়নের ডেডলাইনটা যদি বাড়ানো হয়। এই পরিস্থিতিতে সিবিএসই-র নবম শ্রেণিতে তিন ভাষার নীতি বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। একাধিক পড়ুয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লিখেছেন তিনি। সংসদে শিক্ষার স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দিগ্বিজয় সিং জানিয়েছেন, মাঝপথে হঠাৎ করে তিন ভাষার নীতি কার্যকর হলে গুরুতর সমস্যা দেখা দেবে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত শিক্ষক, পাঠ্যপুস্তকেরও প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ