কিয়েভ: ইউক্রেনে বড়োসড়ো হামলা রাশিয়ার। বুধবার রাতভর হামলায় রক্তে ভিজল কিয়েভের মাটি। রুশ বিমান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হল অন্তত ১৭ জনের। জখম ৯০ জনেরও বেশি। সম্প্রতি ন্যাটোর কাছে উন্নত প্রযুক্তির এয়ার ডিফেন্স সহায়তা চেয়ে আরজি জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এখন প্রশ্ন উঠছে, চাপে পড়েই কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কিয়েভের উপর হামলার নির্দেশ দিয়েছেন?
বুধবার রাত ছিল কিয়েভবাসীর জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে শহরে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে। প্রচণ্ড বিস্ফোরণে বেশকিছু বহুতল একাংশ ধসে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় আগুনও ধরে যায়। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে রাশিয়ার নিজনি নভগোরোদ অঞ্চলের একটি তৈল শোধনাগারের প্রধান ইউনিটে ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেন। শোধনাগারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মৃত্যু হয় একজনের। এই ঘটনায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।