সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: পড়ুয়াদের উপরে নজরদারি বাড়াতে এবার শ্রেণিকক্ষে সিসিক্যামেরা বসাল স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন ভালো, আবার কেউ বলছেন, এসব না করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাঠদানে বেশি করে নজর দেওয়া উচিত।
সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: পড়ুয়াদের উপরে নজরদারি বাড়াতে এবার শ্রেণিকক্ষে সিসিক্যামেরা বসাল স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন ভালো, আবার কেউ বলছেন, এসব না করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাঠদানে বেশি করে নজর দেওয়া উচিত।
মেখলিগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক স্কুলে ২১টি সিসিক্যামেরা বসানো হয়েছে। যার মধ্যে শ্রেণিকক্ষেই ১৪টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল রুম থেকে এই নজরদারি রাখা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে খুশি অভিভাবকদের অনেকে। তাঁরা মনে করেন, এতে ভালোই হবে। তবে অভিভাবকদের আর একটি অংশের মতে, এসব করে কোনও লাভ নেই। পাঠদানে আরও উন্নতির প্রয়োজন। সেদিকে বেশি নজর দিলে ভালো হয়।
স্কুল কর্তৃপক্ষের অবশ্য বক্তব্য, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের একাংশের মধ্যে স্কুল থেকে পালানোর প্রবণতা রয়েছে। হাতেগোনা ক্লাস করেই তারা স্কুল থেকে চম্পট দেয়। অনেকে প্রথম ক্লাস করেও পালানোর চেষ্টা করে। স্কুল ছুটির নির্দিষ্ট সময় থাকলেও তা মানে না। ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি থাকার ফলে এই প্রবণতা কমে যাবে। এছাড়াও বিদ্যালয়ে কেউ মোবাইল নিয়ে এলে কিংবা কোনও খারাপ আচরণ করলে তা চিহ্নিত করা অনেক সহজ হবে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত অভিভাবক-শিক্ষক মত বিনিময় বৈঠকে অভিভাবকদের পক্ষ থেকেই প্রথম সিসিক্যামেরা বসানোর প্রস্তাব উঠে আসে। তাই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সিসিক্যামেরা লাগানো হয়। মেখলিগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুভাষ রায় সরকার বলেন, অভিভাবকদের দাবি অনুযায়ী শ্রেণিকক্ষে সিসিক্যামেরা বসানো হয়েছে। পড়ুয়াদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।- নিজস্ব চিত্র।