Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬

দেশজুড়ে প্রতিদিন বন্ধ হচ্ছে ১৩টি স্কুল, অর্ধেকের বেশিই মধ্যপ্রদেশে

গত বছরে দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৩টি স্কুল বন্ধ হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে অর্ধেক, উদ্বেগ প্রকাশ শিক্ষা মহলে। বিস্তারিত পড়ুন।

দেশজুড়ে প্রতিদিন বন্ধ হচ্ছে ১৩টি স্কুল, অর্ধেকের বেশিই মধ্যপ্রদেশে
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: গত শিক্ষাবর্ষে প্রতিদিন গড়ে ১৩টি স্কুল বন্ধ হয়েছে। বছর শেষে সংখ্যাটা ৪ হাজার অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি স্কুল বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে। খোদ সরকারি রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই বেহাল দশা প্রকাশ্যে এসেছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক থেকে শুরু করে পরিকাঠামোর অভাব। বিভিন্ন কারণে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। সরকারি স্কুলের তুলনায় বেসরকারি স্কুল লাফিয়ে বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে ধারাবাহিকভাবে হাজার হাজার সরকারি স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন শিক্ষা মহল। সম্প্রতি এবিষয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে উইনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন (ইউডিআইএসই প্লাস)। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশে মোট ৪ হাজার ৭৯১টি স্কুল বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২৬টি স্কুল রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। এরপরেই রয়েছে তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু। এক্ষেত্রে সংখ্যাটা যথাক্রমে ১ হাজার ৩৯২, ৫৬৮, ৪৭৪ ও ৩৬৯। সবমিলিয়ে দেশজুড়ে স্কুলের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৪৭৩ থেকে কমে হয়েছে ১৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৬৮২। অর্থাৎ ৫ হাজারের বেশি স্কুল এক ধাক্কায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ওয়াকিবহাল মহল। শিক্ষামন্ত্রকের স্কুলশিক্ষা দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিকের অবশ্য দাবি, একাধিক রাজ্যে স্কুলের সংযুক্তিকরণ ঘটেছে। তার জেরেই স্কুল কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরইমধ্যে বিহার (৯৪৬), ছত্তিশগড় (২৩৪) ও দিল্লিতে (৮৭) স্কুলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে ছাত্র ভরতি লাফিয়ে কমেছে। বিহারে পড়ুয়া ভরতি কমেছে  ৪ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৭। ছত্তিশগড়ে ও দিল্লিতে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৪৯ হাজার ৪৫৯ এবং ৪৫ হাজার ২৫০।  রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রথমবার দেশে জিরো এনরোলমেন্ট স্কুল কমেছে। অর্থাৎ, এমন স্কুল যেখানে কোনো ছাত্রছাত্রী নেই। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সংখ্যাটা ছিল ৭ হাজার ৯৯৩। এক বছরে তা কমে হয়েছে ৫ হাজার ৬৬৩। তবে পড়ুয়া না থাকলেও এমন স্কুলগুলিতে নিযুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা ২০ হাজার ৬৬৭। জিরো এনরোলমেন্টের পাশাপাশি সিঙ্গল টিচার স্কুলের সংখ্যাও বেশ কিছুটা কমেছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ