Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকা অব্যাহত, ধরা পড়ল ১২ জন

মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকার ধারা অব্যাহত। শুক্রবার ইতিহাস পরীক্ষায় ১৩ জন পরীক্ষার্থী মোবাইল সহ ধরা পড়েছিল।

মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে  ঢোকা অব্যাহত, ধরা পড়ল ১২ জন
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকার ধারা অব্যাহত। শুক্রবার ইতিহাস পরীক্ষায় ১৩ জন পরীক্ষার্থী মোবাইল সহ ধরা পড়েছিল। আর শনিবার, ভূগোল পরীক্ষায় দিন ধরা পড়ল ১২ জন। ইতিহাসে দু’টি স্কুল থেকেই আট জন পরীক্ষার্থী ধরা পড়ে। তার মধ্যে কলকাতার একটি স্কুল থেকে ছিল চারজন। এদিনও কলকাতার গার্ডেনরিচ কেশোরাম কটন মিল হাইস্কুলের চার পরীক্ষার্থী ফোন নিয়ে ঢোকে বদরতলা হাইস্কুলের পরীক্ষাকেন্দ্রে। তাদের এ বছরের পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে। এছাড়াও, কোচবিহারে দু’জন এবং উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান থেকে একজন পরীক্ষার্থী মোবাইল সহ ধরা পড়েছে।

Advertisement

পর্ষদ জানাচ্ছে, দল বেঁধে অন্তর্বাসে মোবাইল নিয়ে ঢোকা, এ আই অ্যাপ ব্যবহার করে গণটোকাটুকির প্রবণতা এবারের মাধ্যমিকে নয়া ট্রেন্ড। তল্লাশির সময় শিক্ষকদের উপর হম্বিতম্বি, মিথ্যা অভিযোগের পর্ব চলছে। তাতে এমনকি অভিভাবকরাও যোগ দিচ্ছেন। পোশাকের ভিতরে মোবাইল নিয়ে ঢোকার ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই ছাত্রীরাও। এখনও পর্যন্ত ৩১ জন পরীক্ষার্থী মোবাইল সহ ধরা পড়েছে। তাদের একটা বড়ো অংশই ছাত্রী। এক পড়ুয়া বুদ্ধি খাটিয়ে গত বছরের মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র বেঞ্চে রেখে এ বছরের প্রশ্নপত্র নিয়ে চলে যায় শৌচাগারে। সেখানে মোবাইল থেকে উত্তর দেখার সময় ধরা পড়ে যায়। অন্যদিকে, কলকাতার খান্না হাইস্কুলের পড়ুয়ারা মোমিন হাইস্কুলে পরীক্ষা দিয়ে বেরনোর আগে, ভাঙচুর, ফ্যানের ব্লেড বেঁকিয়ে দেওয়ার মতো কাণ্ড ঘটায়। খান্না হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে পর্ষদকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানায়নি মোমিন হাইস্কুল।
অন্যদিকে, পরীক্ষার্থীদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর বিএসএস হাইস্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তিনি মাধ্যমিকের উত্তরপত্র ব্যবহার করেই ইতিহাসের উত্তর লিখে এনেছিলেন বলে অভিযোগ। গার্ড দেওয়ার সময় সেখান থেকে উত্তর বলে দিচ্ছিলেন পরীক্ষার্থীদের। অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা একজন স্কুল পরিদর্শক তাঁকে হাতেনাতে ধরেন। পর্ষদ জানিয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে ২১৪-এর ২২ ধারা অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। অন্যদিকে, মহেশ্বরপুর হাইস্কুলে একজন কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষার্থীর শুধু বাংলা এবং গণিত পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। তবে, সে সব পরীক্ষাই দিচ্ছিল। ইতিহাস পরীক্ষার দিন ধরা পড়ে, সে সব পরীক্ষার্থী দিচ্ছে। পর্ষদ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ভেন্যু সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ