Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

রসগোল্লা খাওয়া নিয়ে বচসা, জ্বলন্ত তন্দুরে ১১ বছরের শিশু

রসগোল্লা খেতে ভালোবাসে ১১ বছরের শিশু চমন। কিন্তু এই ভালোলাগা যে তাঁর কাল হয়ে দাঁড়াবে তা জানতনা সে। ঠাকুমার সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়েতে গিয়েছিল চমন।

রসগোল্লা খাওয়া নিয়ে বচসা, জ্বলন্ত তন্দুরে ১১ বছরের শিশু
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৪
Prefer us on Google

লখনউ, ১৭ এপ্রিল: রসগোল্লা খেতে ভালোবাসে ১১ বছরের শিশু চমন। কিন্তু এই ভালোলাগা যে তাঁর কাল হয়ে দাঁড়াবে তা জানতনা সে। ঠাকুমার সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়েতে গিয়েছিল চমন। সেখানে বারবার রসগোল্লা নিয়ে খাচ্ছিল সে। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলে এক ক্যাটারিং কর্মী। শেষে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে জ্বলন্ত তন্দুরে ফেলে দেয় চমনকে, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয় শিশুটি। ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলায়। 

Advertisement

জানা যায়, শিশুটির বাড়ি গোণ্ডা জেলায়। মায়ের মৃত্যুর পর সে বস্তি জেলায় মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল। ঠাকুমার সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়েতে গিয়েছিল সে। সেখানেই ঘটে যায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, খাবারের জায়গায় রাখা রসগোল্লা বারবার নেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ক্যাটারিং কর্মী। প্রথমে শিশুটিকে উদ্দেশ্য করে চলে ধমক,  হুমকি। তারপরেই ঘটে সেই ঘটনা। ওই কর্মী চমনকে তুলে জ্বলন্ত তন্দুরের কাছে নিয়ে যায়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে সরাসরি তন্দুরের ভিতরে পড়ে যায় সে। শিশুটির কান্না শুনে ছুঁটে আসে সকলে। তড়িঘড়ি তাঁকে আগুন থেকে টেনে বের করা হয়, কিন্তু ততক্ষণে মুখ থেকে কোমর পর্যন্ত মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে তাঁর শরীর। প্রথমে তাঁকে অযোধ্যা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাকে লখনউ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পরই অভিযুক্ত ক্যাটারিং কর্মী পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শিশুটির মামা দেবীদীন নিষাদ। ইতিমধ্যেই পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট স্বর্ণিমা সিং জানিয়েছেন, 'আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য একাধিক দলে তল্লাশি চালানো হচ্ছে'। 

সম্পর্কিত সংবাদ