সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সরকারি রাস্তার নীচে থাকা জল নিষ্কাশনে ব্যবহৃত কাঠামো বা হিউম পাইপ (স্থানীয় মানুষরা ‘বোল’ বলেন) বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় প্রায় ১০০ বিঘা কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। একটি প্রাথমিক স্কুল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চারপাশ জলমগ্ন। ঘটনাটি ঘটেছে নামখানার হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজগঞ্জে।
বর্তমানে জমা জল থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীরা বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁদের।
জানা গিয়েছে, জল নিকাশি বোলের একটি দিক মাটি ফেলে উঁচু করে বাঁধ দিয়ে দিয়েছেন এক গ্রামের এক বাসিন্দা। বাঁধের উপর গোটা চারেক গাছও রোপণ করে দিয়েছেন। এরপর জল নিকাশি গিয়েছে বন্ধ হয়ে। এদিকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে একটানা বৃষ্টি হয়েছে। তারপর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ১০০ বিঘা জমি। তপনকুমার দাস নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘প্রায় ৮০ বছর রাস্তার নীচের ওই বোল দিয়ে এলাকার জল বেরয়। গ্রাম পঞ্চায়েত তা বসিয়েছিল। একজন গায়ের জোরে আটকে দিয়ে নিকাশি বন্ধ করে দিয়েছেন। এখন স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চারদিকেও জল।’ স্কুলের প্রধানশিক্ষক এ নিয়ে ব্লক অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস বলেন, ‘জল নিকাশি কোনওভাবে বন্ধ করা যায় না। বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে শীঘ্রই বন্ধ করে দেওয়া বোল খুলে দেওয়া হবে।’