Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নাবালিকাকে অপহরণ, ধর্ষণে ১০ বছরের কারাদণ্ড

নাবালিকাকে অপহরণ, ধর্ষণে ১০ বছরের কারাদণ্ড
  • ২১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: নাবালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণ করার অভিযোগে এক যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করল রায়গঞ্জ জেলা আদালত। অভিযুক্তের নাম সুখেন দাস (৩০), বাড়ি মালদহের চাঁচলে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইটাহারের বাসিন্দা দশম শ্রেণির নাবালিকা পড়ুয়া ২০১৯ সালে ২০ নভেম্বর বিকেলে টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। সেই সময় রাস্তা থেকে ওই নাবালিকাকে অপহরণ করেন অভিযুক্ত। নাবালিকার বাড়ির লোক মেয়েটিকে খুঁজে না পেয়ে ইটাহার থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করলে তিনদিন পর অভিযুক্ত সুখেনের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিস। এরপর নাবালিকার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। সেখানে নাবালিকা সুখেনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর অভিযুক্তকে তাঁর বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করে ইটাহার থানার পুলিস। তারপর থেকে বিচারাধীন বন্দি হিসেবে ছিলেন অভিযুক্ত। এদিন পকসো কোর্টে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। রায়গঞ্জ আদালতের সরকারি আইনজীবী অজয় দাস বলেন, নাবালিকাকে ধর্ষণ করায় সে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। নাবালিকা ইটাহারে ঠাকুরদার কাছে থাকতো।  মা, বাবা দিল্লিতে কাজ করতেন। মেয়েটির সঙ্গে নারকীয় ঘটনার পর তার বাবা দিল্লি নিয়ে চলে যান। কিন্তু ঘটনার এক মাসের মধ্যে মেয়েটি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। মেয়েটি গোপন জবানবন্দিতে জানিয়েছিল, তাকে প্রথমে একটি গাড়িতে  তোলা হয়। মুখে রুমাল চাপা দিলে সে জ্ঞান হারায়। এরপর একটি জায়গায় তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং আটকে রাখে অভিযুক্ত। এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা রুজু করে পুলিস। নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ১০ বছরের সাজা ঘোষণা করার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড। এছাড়া অপহরণের অভিযোগে ৩ বছরের সাজা ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন বিচারক। অনাদায়ে আরও দু’মাসে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন পকসো কোর্টের বিচারক মধুমিতা রায়।সাজা ঘোষণার পর নির্যাতিতার বাবা এদিন বলেন, আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পেল।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ