সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২২ নং ওয়ার্ডের শতাব্দী প্রাচীন শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ির প্রবেশদ্বারের পাশে ভগ্নপ্রায় বাড়ি ভেঙে ফেলার সুপারিশ করেছিল পুরসভা। বাড়ির দেওয়ালে সতর্কতামূলক ফ্লেক্সও টাঙিয়েছিল পুর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাড়ির মালিক বা পুরসভা কেউই সেটি ভাঙার উদ্যোগ নেয়নি। অবশেষে মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ল। ভিতরে আটকে পড়েন রাহুল পাত্র নামে এক যুবক। দেওয়াল ভেঙে তিনি জখম হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিসের উদ্যোগে বাড়ির নীচে আটকে পড়া যুবককে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। কালীবাড়ির প্রবেশদ্বারের পাশে থাকা বাড়িটি দীর্ঘদিনের। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে বাড়িটি ভগ্নপ্রায় অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন বিকেলে আচমকা বাড়িটির একাংশ ভেঙে পড়ে। বাড়ির নীচে একটি ঘরে গোডাউন ছিল। সেখানে রাহুল পাত্র কাজ করছিলেন। তিনি বাড়ির নীচে চাপা পড়েন। চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। দুর্ঘটনার পরেই স্থানীয় বাসিন্দা এবং উলুবেড়িয়া থানার পুলিস দ্রুত উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়ে বাড়ির নীচে চাপা পড়া যুবককে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। এদিকে বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ার পরেই ঘটনাস্থলে আসেন উলুবেড়িয়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ইনামুর রহমান, পুরসভার জল দপ্তরের চেয়ারম্যান আকবর শেখ, উলুবেড়িয়া এসডিপিও শুভম যাদব সহ অন্যান্যরা। ভাইস চেয়ারম্যান ইনামুর রহমান জানান, প্রায় দেড় বছর আগে বাড়িটি ভেঙে ফেলার কথা বলা হয়েছে। বাড়ির মালিককে বললেও তিনি না ভাঙায় আজ এই বিপত্তি। দুর্ঘটনার পর পুরসভার পক্ষ থেকে ভগ্নপ্রায় বাড়িটি ভেঙে ফেলার পাশাপাশি বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ইনামুর। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিন আগে পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়িটি বিপজ্জনক ঘোষণার পর সেটি ভাঙার কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় আজ এই বিপত্তি। তাদের বক্তব্য, প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর মানুষ কালীবাড়িতে আসে। মা আনন্দময়ীর অশেষ কৃপা



