ঢাকা: সন্ত্রাসবাদে উসকানি ও সাম্প্রদায়িক বৈষম্য ছড়ানোর অভিযোগে ‘বিতর্কিত’ ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েককে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। ৯ বছর পর সেই জাকিরকেই কার্যত লাল কার্পেট পেতে স্বাগত জানাতে চলেছে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। ২৮ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবেন জাকির। সেখানে একাধিক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন ওই ধর্মপ্রচারক। গত বছর পাকিস্তানেও একই কায়দায় জাকিরকে স্বাগত জানানো হয়। সেখানে জাকিরের সঙ্গে লস্কর-ই-তোইবার একাধিক কমান্ডার বৈঠক করেছিল। ওই লস্কর সদস্যদের প্রত্যেকেই ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ তকমাপ্রাপ্ত। তাই বাংলাদেশে জাকিরের কার্যকলাপ কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা হয়। তাতে ২৯ জন প্রাণ হারান। পরে তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিদের মধ্যে একজন জাকিরের বক্তৃতা শুনে চরমপন্থায় উদ্বুব্ধ হয়েছিল। জঙ্গি সংগঠন আইএসে যোগ দেওয়া কয়েকজন তরুণের সঙ্গেও জাকিরের যোগ পাওয়া যায়। তারপরেই জাকিরকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চরমপন্থা ছড়ানোর অভিযোগে ভারতেও জাকিরের বিরুদ্ধে ইউএপিএতে মামলা দায়ের করেছে এনআইএ।



