


পরামর্শে কসমেটোলজিস্ট ও এস্থেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ দ্বৈপায়িকা চক্রবর্তী।
সকালের রুটিন: স্বাভাবিক ও শুকনো ত্বক হলে, সকালে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার আগে হাইড্রেটেড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে তার উপর হায়ালিউরোনিক সিরাম ব্যবহার করুন। সূর্যালোক প্রতিরোধে ভিটামিন সি যুক্ত সিরাম প্রয়োগ করুন। তার উপর ময়েশ্চারাইজার ও শেষে ক্রিম বেসড সানস্ক্রিন মাখুন।
ত্বক তৈলাক্ত হলে, স্কিন কেয়ারও আলাদা। এই ধরনের ত্বক পুরু হয়। কোলাজেন বেশি থাকে। দূষণকণা ত্বকের ওপেন পোরস-এ জমে। ত্বকে বেশি সিবাম তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে সকালে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফেশওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। বাড়তি তেল চলে যাবে। এরপর হায়ালুরোনিক ও গ্লাইকোলিক সিরাম ব্যবহার করুন। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করে সরাসরি ওয়াটার বা জেল বেসড সানস্ক্রিন মেখে নিন।
রাতের রুটিন: নরমাল ও ড্রাই স্কিন হলে বাড়ি ফিরে ফেশওয়াশ ও মাইক্রোএক্সফোলিয়েন্ট ফেসওয়াশ দিয়ে ডাবল ক্লেনজিং করুন। আধুনিক ত্বকচর্চায় স্ক্রাবিং আর চলে না। বরং তার বদলে মাইক্রোএক্সফোলিয়েন্ট ফেসওয়াশ উপযোগী। সারাদিনের ধকল, দূষণ, ধুলো, ঘাম এই সময় মুখের ত্বকে আটকে থাকে। ফলে মৃতকোষ জমে যায়। ডাবল ক্লেনজিং তাই খুব প্রয়োজনীয়। এরপর একটি রিপেয়ারিং ক্রিম ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকেও ডাবল ক্লেনজিং প্রয়োজন। ফেশওয়াশ ও মাইক্রোএক্সফোলিয়েন্ট ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বকের মৃত কোষ তুলে ফেলুন। এরপর অ্যাজেলাক বা গ্লাইকোলিক সিরাম ব্যবহার করুন। নিয়াসিনামাইড সিরামও ভালো। এই কয়েকটি নিয়মে নিয়মিত ত্বকচর্চা করলে ত্বক সতেজ ও সুস্থ থাকবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি