Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও ৭ দিনে শাস্তির নির্দেশ কার্যকর হওয়া চাই! ইআরও ইস্যুতে মুখ্যসচিবকে বার্তা কমিশনের

নির্বাচনী কাজে গাফিলতির জেরে চার ইআরও’র শাস্তি ইস্যুতে রাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত! কিন্তু আগামী সাত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর হওয়া চাই! বুধবার মুখ্যসচিবকে এমন বার্তাই দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সূত্র মারফত এমটাই খবর।

রাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও ৭ দিনে শাস্তির নির্দেশ কার্যকর হওয়া চাই! ইআরও ইস্যুতে মুখ্যসচিবকে বার্তা কমিশনের
  • ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: নির্বাচনী কাজে গাফিলতির জেরে চার ইআরও’র শাস্তি ইস্যুতে রাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত! কিন্তু আগামী সাত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর হওয়া চাই! বুধবার মুখ্যসচিবকে এমন বার্তাই দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সূত্র মারফত এমটাই খবর। 

Advertisement

ইআরও শাস্তি ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায়, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে তলব করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে নির্বাচন সদনে সশরীরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল পন্থকে। সূত্রের খবর, মুখ্যসচিব নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন। বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিনি নির্বাচন সদনে প্রবেশ করেন। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে ঘণ্টা খানেক বৈঠক হয় মুখ্য সচিবের। বিকেল সাড়ে ৫টার পর নির্বাচন সদন ছেড়ে বেরিয়ে আসেন মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, কমিশনকে মুখ্য সচিব জানিয়েছেন, নির্দেশের পর রাজ্য সরকার অভ্যন্তরীন তদন্ত করে বিষয়টি কার্যকর করতে চাইছে। হঠাৎ এই নির্দেশ কার্যকর করলে রাজ্যের সমস্ত আধিকারিকদের মধ্যে বিরূপ বার্তা যাবে। নির্বাচনী কাজে প্রভাব পড়বে। যে কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই অভ্যন্তরীন তদন্তের পরই সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কার্যকর করার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য। পাশাপাশি মুখ্যসচিব স্পষ্ট করেন, ইতিমধ্যেই একজন সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার এবং ডেটা-এন্ট্রি-অপারেটরকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্য কমিশনের নির্দেশ পালন করছে না, এমনটা নয়। জানা গিয়েছে, মুখ্য সচিবের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কমিশন রাজ্যের এই ‘অভ্যন্তরীন তদন্তে’র সিদ্ধান্তকে ‘স্বাগত’ই জানিয়েছে। তবে কমিশন মুখ্যসচিবকে স্পষ্ট করে দিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।  
যদিও এ বিষয়ে কমিশনের তরফে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। নবান্নের তরফেও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বসার কথা। ওই বৈঠকে যা সিদ্ধান্ত হবে, সেইমতোই গোটা প্রক্রিয়া এগবে বলে খবর।  বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিক এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।
সঙ্গত, গত ৫ আগস্ট কমিশন ওই চার আধিকারিককে শাস্তির নির্দেশ দেওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানিয়েছিলেন, সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। এরপর ৮ আগস্ট আবার রাজ্যকে চিঠি পাঠায় কমিশন। দ্বিতীয় চিঠিতে রাজ্যকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেছিল কমিশন। সেইমতো সোমবার, ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই কমিশনকে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। তার পরেই মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ