Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উত্তর-পূর্বের বাতাসে জলীয় বাষ্প ঠান্ডা কমলেও বাড়বে কুয়াশা

রাজ্যজুড়ে চলছে শীতের আমেজ। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যেমন কমেছে, তেমনই ভোরবেলায় কুয়াশার দেখা মিলছে। কাল, সোমবার ও মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

উত্তর-পূর্বের বাতাসে জলীয় বাষ্প  ঠান্ডা কমলেও বাড়বে কুয়াশা
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে চলছে শীতের আমেজ। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যেমন কমেছে, তেমনই ভোরবেলায় কুয়াশার দেখা মিলছে। কাল, সোমবার ও মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আজ, রবিবারও হাল্কা কুয়াশা পড়তে পারে কোথাও কোথাও। নীচের স্তরের বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কিছুটা বেড়ে যাওয়ার কারণেই কুয়াশা পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস। এতদিন উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুকনো ঠান্ডা বাতাস আসার কারণে তাপমাত্রা কমেছিল। এবার উত্তর-পূর্ব দিক থেকে যে বাতাস আসবে, তাতে শীতলভাব কম থাকলেও বেশি থাকবে জলীয় বাষ্প। ভোরের ঠান্ডায় ওই জলীয় বাষ্পই ঘনীভূত হয়ে কুয়াশা পড়বে।

Advertisement

বাতাসের গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন হওয়ার কারণে আজ থেকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। শনিবারই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। যদিও পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমে এদিন ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। এর আগে দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমেছিল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, স্থানীয় কারণে পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা এতটা কমেছে। পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব পড়েছে সেখানে। সোমবার থেকে ঝাড়খণ্ডেও শৈত্যপ্রবাহ থাকবে না। দার্জিলিংয়ে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমে ৬ ডিগ্রি হয়। 
শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৬ ডিগ্রি কম। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধাপে ধাপে বেড়ে ২০ ডিগ্রিতে পৌঁছোবে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। 
এদিকে, হঠাৎ করে ঠান্ডা পড়ে যাওয়ায় শহরের বাজারে সবজির জোগান কিছুটা কমে গিয়েছে। রাজ্য সরকারের খাদ্য সংক্রান্ত টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে জানিয়েছেন, যাঁরা মাঠ থেকে সবজি তুলে বাজারে আনেন, হঠাৎ ঠান্ডা পড়ে যাওয়ায় তাঁদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, তাঁদের সাধারণত ভোররাতে কাজ করতে হয়। তাই শহরের সবজির বাজারে জোগানে কিছুটা টান পড়ছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটা সাময়িক ব্যাপারে। দু’-একদিনের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এবার আবহাওয়া অনুকূল থাকার জন্য সবজির ফলনও খুব ভালো।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ